২৮শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১০ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • বাংলার অগ্রগতি
  • হোমনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্লিপের কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলন করলেন প্রধান শিক্ষকরা

হোমনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্লিপের কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলন করলেন প্রধান শিক্ষকরা

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : জুলাই ১৪ ২০১৬, ০৪:১১ | 616 বার পঠিত

কুমিল্লা প্রতিনিধি- হোমনায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল লেভেল ইমপ্রুভমেন্ট প্লান এর বরাদ্ধকৃত টাকা কাজ না করেই সহকারী শিক্ষা অফিসারদের (এটিও) ম্যানেজ করে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে প্রধান শিক্ষকরা টাকা উওোলন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকার সুশীল সমাজ ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৯২টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ের জন্য ৪০ হাজার টাকা করে ৩০ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এই টাকায় স্কুলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করার কথা। বেশীরভাগ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা কোন কাজ না করে শিক্ষা অফিসের সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিও) জয়নাল আবেদীন ও সুভাষ চন্দ্র কে ম্যানেজ করে কাজ সম্পন্ন হয়েছে, এই মর্মে প্রত্যয়নপত্র প্রধান করেন। প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে কাজ না করার পর-ও টাকার বিনিময়ে ভ‚য়া বিলপত্র নিয়ে স্কুলগুলির যৌথ হিসাব নাম্বারে টাকা ছাড় করে দেন সহকারী শিক্ষা অফিসারা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, আমাদের কাজ শেষ না হওয়ার পর-ও আমাদের প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন এটিও জয়নাল ও সুভাষ চন্দ্র স্যার। এর জন্য আমাদের কাছ থেকে ৩-৪ হাজার করে নিয়েছেন। স্যাররা বলেছেন, ভ‚য়া বিলপত্র জমা দিলেই হবে। কাজ না করলে কোন সমস্যা হবেনা। চন্দ্রীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রওশন আরা বেগম জানান, প্রত্যয়ন পত্র নিতে সুভাষ স্যার আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন, টাকা না দিলে প্রত্যয়ন পত্র দিবে না তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি । সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র জানান, জুনের মধ্যে টাকাগুলো ছাড় না করলে টাকা ফেরত যাবে। তাই শিক্ষকদের কাছ থেকে অগ্রিম বিলপত্র নিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রত্যয়নপত্র দিয়েছি। তবে কারো কাছ থেকে কোন টাকা নেয়া হয়নি। উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) জয়নাল আবেদীন এ বিষয়ে বলেন, এখানে বিলগুলি সমন্বয় করতে হবে। কিন্তু প্রত্যয়নপত্র ছাড়া বিলগুলি সমন্বয় করা সম্ভব নয় বিধায় প্রত্যয়নপত্র দিয়েছি। আসলে উপড়ের নির্দেশ মোতাবেকই প্রত্যয়ন পত্র দেয়া হয়েছে। এখন কাজগুলি পর্যায়ক্রমে স্কুলগুলো করবে। তবে প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ আল-আমিন জানান, স্লিপের টাকার কাজ শেষ করার আগে প্রত্যয়নপত্র দেয়ার সুযোগ নেই। প্রত্যয়নপত্র দেয়া হয়েছে বিষয়টি আমার জানা নেই। টাকার বিনিময়ে প্রত্যয়নপত্র দেয়া হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূর ইসলাম এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কাজ শেষ করার আগে টাকার বিনিময়ে প্রত্যয়নপত্র দিয়ে থাকলে, এটা অত্যন্ত জঘন্যতম অপরাধ। আমি এ বিষয়ে এখনি এটিওকে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলছি।সূত্র-আমার দেশ

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4161705আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 0এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET