২৫শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৯ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

সিরাজগঞ্জ ‘নলকা সেতু’ এখন গলার কাঁটা

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : জুলাই ২৬ ২০১৭, ১৯:১৭ | 637 বার পঠিত

এম এ মালেক,সিরাজগঞ্জ: বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ-হাটিকুম রুল মহাসড়কে আশির দশকে নির্মিত নলকা সেতুটি এখন গলার

কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।গত দুই মাস থেকে সেতুটির উপরিভাগে

মেরামত ও সংস্কার কাজ চলছে। সে কারণে সেতুর দুই পারে

দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে বলে সওজ ও স্থানীয় সূত্রে জানা

গেছে। সিরাজগঞ্জ সওজ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম

নয়া আলোকে  বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে মেশিন আনা হয়েছে।

কিন্তু নলকা সেতুর উপরিভাগের ভঙ্গুর জয়েন্ট এক্সপানশনগুলোর

উপরের বিটুমিন ও পাথরের মিশ্রন এত শক্ত, কেটে সহজে

অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিশ্রম করেই যাচ্ছি। মহাসড়কের

মেরামত কাজও বৃষ্টির কারণে উঠে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে ১৫ টনের অধিক

ওজনের গাড়ি পার হতে না দিলেও মহাসড়কে ৫০/৬০ টন পণ্য

নিয়ে যানবাহন চলছে। যে কারণে মহাসড়ক টিকছে না। যত দোষ

শুধু সওজেরই। নলকা সেতুর ওপরে এক ঘণ্টা কাজ করা হলে উভয়

দিকে ৪ কি. মি. করে প্রায় ৮ কি.মি.যানজট হয়। জেলার

পাশাপাশি উত্তরের জেলায়ও তার প্রভাব পড়ে। বৃষ্টি শেষ না

হলে এ অবস্থার তেমন উন্নতি আশা করা যায় না। সমস্যা

থাকবেই, এর মধ্যে চলাচলও করতে হবে।’

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে এ সেতুর

কারণে কৃত্রিম যানজট সৃষ্টি হলেও গত ১০/১২ দিন থেকে তা

প্রকট আকার ধারণ করেছে। ১০ মিনিট যানবাহন চলাচল বন্ধ বা

নিয়ন্ত্রণ করা হলে সেতুর উভয় দিকে ৮/১০ কি.মি.অংশে

যানবাহনের দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হচ্ছে। আর এর প্রভাব জেলার

অন্যান্য মহাসড়কের পাশাপাশি উত্তরের জেলাগুলোতেও

পড়ছে।

সোমবার (২৪-২৫ জুলাই) জেলার সব কয়টি মহাসড়কেই যানজট দেখা

যায়। স্থানীয়রা জানান, সেতুর উপরিভাগে দীর্ঘদিনের ভঙ্গুর জয়েন্ট

এক্সপানশনগুলো এখনও মেরামত করতে পারেনি সওজ। সেতুর

খানাখন্দও স্থায়ীভাবে মেরামত সম্ভব হয়নি। গত দুই মাস থেকে

অস্থায়ীভাবে খানাখন্দ মেরামত করা হলেও তা টিকছে না। গত

কয় দিনের বৃষ্টিতে নলকা সেতু ছাড়াও সয়দাবাদ-হাটিকুমরুল,

হাটিকুমরুল-বনপাড়া, হাটিকুমরুল-চান্দাইকোনা ও হাটিকুমরুল-

উল্লাপাড়া মহাসড়কেও প্রচুর খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে।

রংপুর থেকে ঢাকাগামী নাবিল পরিবহনের যাত্রী

আইসিডিডিআরবি’র সিনিয়র রিসার্স কর্মকর্তা শেখ বেলাল

হোসেন মঙ্গলবার রাতে নয়া আলোকে জানান, ‘আমরা

আজ সকাল সোয়া দশটার সময় রংপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে

যাত্রা করেছি। বিকাল ৫টার মধ্যেই ঢাকা পৌঁছানোর কথা।

কিন্তু বিকাল সোয়া ৩টার দিকে সিরাজগঞ্জ জেলার

রায়গঞ্জ-চান্দাইকোনা মহাসড়কে আটকে ছিলাম। রাত সাড়ে

৯টার দিকে হাটিকুমরুল মোড়ে আসতে পেরেছি। ২৫/৩০ কি.মি.

রাস্তা পার হতেই সোয়া ৬ ঘন্ট লাগলো।’

সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

(ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী সোমবার রাত ৯টার দিকে বলেন,

‘বৃষ্টির কারণে জেলার সব কয়টি মহাসড়কেরই বেহাল অবস্থা।

প্রতিটি মহাসড়কেই যানজট ও যানবাহনের দীর্ঘ লাইন।

আমাদের করার কিছুই নেই। যানজট কিছুটা নিরসনে একটি লেন

আটকে আরেকটি দিয়ে পারাপার চালু রাখার কারণে ধীরগতি

আরও বেড়েছে। আমরা নিরুপায়। সওজ প্রকৌশলীদের আরও তৎপর

হওয়া উচিৎ।

 

 

 

 

 

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4201978আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 1এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET