২৫শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ৯ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় পরীক্ষায় ফেলের ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় পরীক্ষায় ফেলের ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : মে ১৭ ২০১৬, ২০:২৭ | 674 বার পঠিত

আশরাফুল ইসলাম (জয়) সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে বিজনেস এ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিএম) পরীক্ষার্থীদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠান প্রধানগন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিলেও সংশ্রিষ্ঠ প্রশাসন রয়েছে নীরব। ব্যবহারীক পরীক্ষায় ফেলের ভয় দেখিয়ে এই টাকা আদায়ের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশ পত্র আটকে পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে আদায় করা হয়েছে মোটা অংকের টাকা। সেই সময় একজন পরীক্ষার্থী তিন থেকে পাঁচশত টাকা দিয়ে পরীক্ষার প্রবেশ পত্র নিতে বাধ্য হয়েছিল।

দীর্ঘদিন যাবৎ এ সমস্ত প্রতিষ্ঠান গুলোতে পরীক্ষার নামে বানিজ্য চলে আসলেও ব্যবহারীক পরীক্ষায় ফেলের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা পরীক্ষার্থীরা। সারাদেশের ন্যায় রায়গঞ্জেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে এইচএসসিসহ সমমনা পরীক্ষা। এদের মধ্যে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে বিজনেস এ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিএম) পরীক্ষাও হয়েছে। রায়গঞ্জের কয়েকটি বিএম কলেজের পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করে জানায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ভয়াবহ শিক্ষা বানিজ্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের অভিয়োগ, এক হাজার ৭শত টাকা দিয়ে পরীক্ষার ফরম-ফিলাপ করেছি। এর মাঝেও নানা পরীক্ষার অজুহাতে নেওয়া হয়েছে অনেক টাকা। আবার পরীক্ষার প্রবেশ পত্র নেওয়ার সময় ৬মাসের ৬শ”টাকা এবং প্রবেশ পত্র বাবদ ২”শতসহ মোট আটশত টাকা দেওয়া হয়।

বাধ্য হয়ে সমুদয় টাকা দিয়ে প্রবেশ পত্র নিয়ে পরীক্ষা দিয়েছি। এখানে প্রতিবাদ করার সুযোগ নেই। আবারও ব্যবহারীক পরীক্ষায় ফেলের ভয় দেখিয়ে আদায় করা হলো ৩শত টাকা। প্রায় পাচ শতাধীক শিক্ষার্থীর নিকট থেকে আদায় করা হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। টাকা না দিলে ফেলের ভয় দেখানো হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত এক পরিপত্রে জানা যায় একজন পরীক্ষার্থীর নিকট থেকে পরীক্ষার ফি চারশত টাকা,একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ত ফি ৭৫টাকা,সনদ ফি ১শ”টাকা,বাস্তব প্রশিক্ষন ফি ৭০টাকা সংশি¬ষ্ট বোর্ডে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একজন পরীক্ষার্থীর নিকট থেকে বাস্তব প্রশিক্ষনের জন্য ৫০টাকা, কেন্দ্র ফি ৩৫০টাকা, ব্যবহারিক কেন্দ্র ফি ১শ”টাকা ও ব্যবহারীক পরীক্ষার প্রতিবিষয়ে ২৫টাকা হারে আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উলে্লখিত টাকা দিয়ে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে পারবে। কিন্ত শিক্ষা বোর্ডের নিদের্শ অমান্য করে প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা ২থেকে ৩হাজার টাকা নিয়ে ফরম পুরনে বাধ্য করে শিক্ষার্থীদের। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শিক্ষক নয়া আলোকে জানান, কেদ্র ফি বোর্ডের নির্দেশ রয়েছে ৬শ”টাকা। কিন্ত আমরা সাড়ে ৬”শ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। আবার ব্যবহারীক পরীক্ষার সময় পুনরায় একজন পরীক্ষার্থীকে ৩শত” টাকা দিতে বাধ্য করেছেন সংশি¬ষ্ট কেন্দ্র প্রতিষ্ঠান। তিনি আরো জানান, কেন্দ সচীবগন পরীক্ষার্থীদের জিম্মি করে টাকা আদায় করে নিচ্ছেন।

এবিষয়ে কোন অভিযোগ দিয়েও কাজ হচ্ছেনা। ব্যবহারীক পরীক্ষার নামে বারবার টাকা আদায়ের ঘটনায় অভিভাবক মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সংশি¬ষ্ট কেন্দ্র সচীবের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। শিক্ষ্য প্রতিষ্ঠন গুলো হলো রায়গঞ্জ ট্যাকনিক্যাল এ্যন্ড ম্যানেজমেন্ট কলেজ, জামতৈাল ট্যাকনিক্যাল এ্যন্ড ম্যানেজমেন্ট কলেজ, দবুগাতি ট্যাকনিক্যাল এ্যন্ড ম্যানেজমেন্ট কলেজ, দেউলমুরা ট্যাকনিক্যাল এ্যন্ড ম্যানেজমেন্ট কলেজ, সাহেবগঞ্জ ট্যাকনিক্যাল এ্যন্ড ম্যানেজমেন্ট কলেজ উলে্লখযোগ্য। রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইকবাল আখতার বলেন অভিযোগ পেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, পরীক্ষায় ফেলের ভয় দেখিয়ে বারবার পরীক্ষাথীর নিকট থেকে টাকা আদায় সম্পূর্ণ অবৈধ এবং তদন্তে প্রমানিত হলে কেন্দ্র বাতিল সহ কেন্দ সচীবের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4156993আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 14এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET