২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১০ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • সকল সংবাদ
  • শার্শার গোগা ইউনিয়নের পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে মেম্বরের কিলঘুষি অপমান

শার্শার গোগা ইউনিয়নের পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে মেম্বরের কিলঘুষি অপমান

সোহাগ হোসেন, বেনাপোল,যশোর করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : অক্টোবর ২৮ ২০২০, ২০:২৩ | 704 বার পঠিত

যশোরের শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়ন পরিষদের রশিদ চেয়ারম্যান ও তার ছেলের প্রতি উক্ত ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাবুল মেম্বরের উপর প্রকাশ্যে চড় কিলঘুষি মারার ও মাদকের টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে যে অভিযোগ সেটা মিথ্যা ও বানোয়াট।

 

বুধবার সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা যায় হরিচন্দপুর ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বর বাবুল গত এক বছরে গোগা ইউনিয়নের বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে অভিনব্য কৌশল করে গ্রামের দারিদ্র ৩০জনের কাছ থেকে ১১লক্ষ১৪হাজার টাকা নেয়।অভিযোগের মধ্যে রয়েছে,রাস্থা দেবার কথা বলে অর্থ নেয়া,তালাত প্রাপ্ত মহিলাদের ভরণ পোষণের টাকা নেয়া, এছাড়াও বিভিন্ন হুমকিধামকী দিয়ে টাকা নেয়ার পর তাদেরকে পাওনা টাকা না দেয়ায় তারা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি বরাবর টাকা পাওনার লিখিত অভিযোগ করে।লিখিত অভিযোগ গুলো সভাপতি পাওয়ার পর চেয়ারম্যানের নিকট হস্তান্তর করে।চেয়ারম্যান এসমস্থ অভিযোগকে পেয়ে মেম্বরকে নিয়ে শালিস বসলে সে টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লিখিত দেয়।কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হলেও মেম্বরের কোন টাকা দেয়ার মাথা ব্যাথা নাই।এরই জের ধরে মঙ্গবার সকালে স্থানীয় বাজারে চেয়ারম্যানের সাথে মেম্বরের কথাকাটা কাটি হয় এবং মেম্বর জনসম্মুখে চেয়ারম্যানকে গালিগালাজ করে তার উপর চড়াও হলে স্থানীয় জনতা তাকে চড় ও কিল ঘুষি মারে।

 

এবিষয়ে চেয়ারম্যান জানান,আমার ও ছেলের বিরুদ্ধে যে মাদকের টাকা পাওনা চাওয়াকে কেন্দ্র মারধর করা হয়েছে সেটা মিথ্য ও আমাকে বিভ্রান্তি করার জন্য এবং পাওনাদারের টাকা না দেয়ার জন্য একটা কৌশল করছে মেম্বর।সে তার ওয়ার্ডে অসাহয় পুরুষ ও মহিলাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সে ১১লক্ষ ১৪হাজার টাকা দেনা হয়ে গেছে।যার লিখিত অভিযোগ ইউনিয়ানে জমা আছে।এ এসমস্থ টাকার মিমাংসা করা না হয় সে কারণে আমার নামে মিথ্যা বদনাম অভিযোগ করছে।

 

আওয়ামীলীগের ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি শোয়েদ আলী বলেন,বাবুল মেম্বর গ্রামের মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন কায়দায় প্রতারণা করে টাকা নিয়েছে।গ্রামবাসী আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করলে গ্রামে গণ্যমাণ্য ব্যাক্তিদের নিয়ে শালিস বসলে সে দোষীসাবস্থ হয়।সে টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অঙ্গিকার নামায় স্বাক্ষর করে।কিন্তু মুচলেখা দেয়ার টাকার সময় হলেও সে পরিশোধ করে না।আরো বলে আমার নামে থানায় মামলা করো ইউনিয়ানে বিচার দাও এসব কায়দা দেখিয়ে আজও সে টাকা দেয়নি। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যে মাদকের টাকা নিয়ে এই ঝামেলার কথা বলছে সেটা মিথ্য তার মনগড়া ও ভিত্তিহীন।অসহায় গ্রামের মানুষ যেন তাদের পাওনা টাকা ফিরে পাই তার জোরদাবী করছি।

 

৩নং হরিচন্দ্রপুর যুবলীগের সভাপতি আঃসালাম জানান,চেয়ারম্যান ও তার ছেলের নামে যে মাদকের মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে সে কথা সত্য নয়।যতটুকু দেখেছি তিনি চেয়ারম্যানে হবার পর মাদকের সাথে তার কোন আপস মিমাংসা নেই।বিভিন্ন জায়গায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপচার করা হচ্ছে। বাবুল মেম্বর টাকার জন্য এমন কোন কাজ নেই যে সে করতে পারে না।সে আমার পাশের গ্রাম ভারতের পিঁপলী গ্রামে অসহায় দারিদ্র মানুষের বাড়িতে থেকে গরু চুরি করে নিয়ে এসে সাতমাইল গরু হাটে বিক্রয় করে থাকে।এ এসমস্থ স্বাক্ষী প্রমান অনেক আছে।যারা টাকার জন্য বিচার দাবী করছে তারা খুবই অসাহয়।তাদের কে বিভিন্ন হুমকি ভয় দেখিয়ে টাকা গুলো নিয়েছে।অভিযোগ পেয়ে মেম্বরের কাছে টাকা চাই যে পাওনাদাদের কে আমরা দিয়ে দিই কিন্তু টাকা দেয় না।এ জন্য আমাদের চেয়ারম্যান গত কাল তার কাছে টাকার কথা বললে চেয়ারম্যানের উপর চড়াও হয়ে ঝাপিয়ে পড়লে উপস্থিত জনতা কিল ঘুষী পারে।তার উপর এমন কোন কিছু দিয়ে আঘাত করা হয় নি মারাত্বক জখম হবে।সে গ্রামে বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে টাকা যেন পরিশোধ না করা লাগে।

 

এ বিষয়ে বাবুর মেম্বরকে বাড়িতে না পেয়ে তার ব্যবহৃত মুঠো০১৯৮৬৬৫৬৮৯৮ নম্বারে ফোন দিলে সংযোগ পাওয়া জায়নি।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4204537আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 5এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET