২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১০ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

রাজনীতি’ দেখার আহ্বান আসিফের।

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : জুলাই ০৮ ২০১৭, ০০:২১ | 637 বার পঠিত

এম.আর.জে শান্ত, বিনোদন প্রতিবেদক:

সঙ্গীত অঙ্গনে নিজের বেশ সুনাম করিয়েছেন বহু আগেই। শুধু সঙ্গীত জগৎ নয় চলচ্চিত্রের বেশ জনপ্রিয় ব্যক্তি সে বলছি কণ্ঠ শিল্পী আসিফ আকবরের কথা। রাজনীতি। ক্রিকেট বিভিন্ন ইস্যুতে বেশ সচ্চার তিনি। বর্তমানে বাংলা চলচ্চিত্র সংকটময় অবস্থায় রয়েছে। যৌথ প্রযোজনার নামের যৌথ প্রতারণা, হিন্দি-তামিল ছবির নকলে বাংলা ছবি নির্মাণ, দেশীয় সিনেমা হলে ইন্ডিয়ান ছবির দৌরাত্ম্য। সবমিলিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে সিনেমা সংশ্লিষ্ট মানুষেরা। এ বিষয়টি নিয়ে ভাবেন আসিফ আকবর। আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) এ নিয়ে আসিফ তার ফ্যানপেজে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন- “চর দখলের স্টাইলে চলছে সিনেমা হল দখল। অল্প কিছু হল এখনও জীবিত আছে, সেগুলো দখল করে চলছে যৌথ প্রতারণার অবৈধ ছবি। আমির খানের হিন্দি ছবি ‘সারফারোস’ ও ‘বাজী’ আর শাহরুখ খানের ‘বাদশাহ’ ছবিগুলোর ককটেল সংস্করণ নবাব, পোস্টারের ছবিটিও তেলেগু কপি (তথ্যসূত্র- একটি অনলাইন পত্রিকা)। ‘বস-২’ পুরোটাই বসগিরি করেই চালানো হয়েছে। বাংলাদেশে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ওপারের মাড়োয়ারিদের সাথে সমঝোতা করে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে বানিয়েছে পলাশীর প্রান্তর। তাদের কাস্টিং, টেকনিক্যাল সাপোর্ট, অর্থ বিনিয়োগ এবং প্রভাব প্রতিপত্তির লাগামহীন আগ্রাসন চলছে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে। যৌথ প্রযোজনার নীতিমালাকে পদদলিত করে এদেশে শুরু হয়েছে মাড়োয়ারি (পুরনো সুদ ব্যবসায়ী মাউরা) ব্যবসা। সেই সঙ্গে হুন্ডির চালানে চলছে টাকা পাচার।

ঢাকাই ছবিতে প্রভাব বেড়েছে ক্যালকেশিয়ান উচ্চারণের, দেখার লোক হঠাৎ অন্ধ, শোনার লোক বধির। জায়েজ করার চেষ্টায় দু-একজন দেশি সংগীতশিল্পী গেটিস হিসেবে গাইছে যৌথ প্রতারণার ছবিতে। বাংলাদেশের হাজারও শিল্পী গীতিকার সংগীত পরিচালকদের যোগ্যতা নেই যৌথ প্রতারণার ছবিতে কাজ করার, অবশ্য এ পরিস্থিতি তারা নিজেরাই সৃষ্টি করেছে চামচামির মাধ্যমে। মাড়োয়ারি অর্থায়নে এখনকার কিছু গুণীরা বিক্রি হয়ে গেছেন আরও আগেই। নিজের স্বার্থের জন্য দেশের স্বার্থ বিক্রি করতে সিদ্ধহস্ত এ জাতির পুরনো প্রেতাত্মার উত্তরসূরি তারা। ওই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পদলেহনকারীরাই ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত করে এ জাতিকে পড়িয়েছিল গোলামির জিঞ্জির।আমার এসব কথা ভালো লাগবে না জানি। তারপরও মীরমদন, মোহনলাল আর ক্ষুদিরামের মত স্বাধীনচেতাদের চরিত্র কখনো বদলায় না, আমিতো সামান্য আসিফ। তবে অকাল প্রয়াত প্রিয় নায়ক মান্না ভাইকে মিস করছি কমরেড হিসেবে। শাকিব বাংলাদেশের সেরা হিরো এই মুহূর্তে, যারা অস্বীকার করবে তাদের জন্য উপহার ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের জলের ঘোলা শরবত (পাঁচটা আঁতেল বাদে)। মাড়োয়ারিরা ব্রিটিশদের মত খেলছে ‘DIVIDE N RULE’ গেম, সঙ্গে আছে দেশীয় দালাল প্রডাকশন হাউসটি। এ বিভক্তির খেলায় জয়ী হবে মাড়োয়ারিরাই। বাংলা ছবির অস্তিত্বের জন্যই এই ব্যাপারটি শাকিবকেও বুঝতে হবে, আমাদের চলচ্চিত্র পরিবারকেও বুঝতে হবে। আসুন নিজেদের মধ্যে বিভেদ তৈরি না করে দেশীয় ছবিতে মেধা খাটাই। নীতিমালা অনুযায়ী চলুক সিনেমা শিল্প। মাড়োয়ারি আর লোকাল এজেন্টদের রাজনীতির ছোবল থেকে বাঁচাই আমাদের শাকিব-অপুর ‘রাজনীতি’ ছবিটি। চলুন সবাই হলে গিয়ে দেখি আমাদের আসল ঔরসজাত ছবি- ‘রাজনীতি’।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4205465আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 13এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET