২০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

যুক্তরাষ্ট্র-ইইউ’র নিন্দা, উত্তাল রাবি

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : এপ্রিল ২৫ ২০১৬, ০১:০২ | 644 বার পঠিত

11382_f1 নয়া আলো-

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয়েছে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল রোববার সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ,  মৌন মিছিল, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এদিকে অধ্যাপক ড. এ এফ এম রেজাউল করিম হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলা ডিবিতে স্থানান্তরের পরপরই শনিবার রাতেই সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে ডিবি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

অধ্যাপক ড. রেজাউল হত্যার বিচারের দাবিতে গতকাল রোববার ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। বেশির ভাগ বিভাগের শ্রেণিকক্ষগুলো তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। কিছু কিছু বিভাগের অফিসকক্ষ খোলা থাকলেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল না। সেই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগে নির্ধারিত পরীক্ষাও স্থগিত করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পরীক্ষা কমিটি।
হত্যার বিচারের দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার বেলা পৌনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে থেকে একটি মৌন মিছিল বের করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার সিনেট ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পাসে শোক মিছিল বের করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ইংরেজি বিভাগের সামনে থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে সিনেট ভবনের সামনে এসে সেখানে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। এসময় ১০ মিনিটের জন্য প্রতীকী সড়ক অবরোধ শেষে মানববন্ধন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
এ সময় বক্তব্য রাখেন- বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মিজানউদ্দিন, প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. চৌধুরী সারওয়ার জাহান, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শাহ আজম শান্তন, সাবেক ভিসি অধ্যাপক সাইদুর রহমান খান প্রমুখ।
এ সময় রাবি ভিসি বলেন, অধ্যাপক রেজাউলসহ একযুগে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক নির্মমভাবে খুন হয়েছেন। তাদের কোনো অপরাধ ছিল না। নিরপরাধ এ শিক্ষাবিদদের প্রকাশ্য-দিবালোকে আঁততায়ীরা খুন করে পালিয়ে যাচ্ছে। তাই এটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। হত্যার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত খুঁজে বের করে প্রচলিত আইনে তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে প্রতিবাদী সমাবেশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোট। রোববার বিকাল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে নগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক এক: অধ্যাপক ড. রেজাউল হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গত শনিবরার গভীর রাতে নগরীর শালবাগানের ছোট বনগ্রাম এলাকার নিজ বাড়ি থেকে হাফিজুর রহমান নামে এক রাবি শিক্ষার্থীকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আটককৃত ওই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী  এবং নগরীর ২৩নং ওয়ার্ড শিবিরের সাধারণ সম্পাদক বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক খন্দকার জাহিদুল ইসলাম বলেন, গত শনিবার রাতেই বোয়ালিয়া থানার হত্যা মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। তারপর গভীর রাতে ছোট বনগ্রামের নিজ বাসা থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ডিবি পুলিশ একজনকে আটক করেছে। তাকে মহানগর ডিবি অফিসে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. শামসুদ্দিন বলেন, ‘পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা শিক্ষক ড. রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আশা করি, খুব শিগগিরই আমরা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবো।’ ইতিমধ্যেই সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশ কমিশনার।

ইংরেজি বিভাগের সাত দফা ঘোষণা: গতকাল দুপুর ১টায় ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন শিক্ষার্থীরদের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
দাবিগুলো হলো- ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অধ্যাপক রেজাউল হত্যার প্রকৃত খুনিদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। ২৪ ঘণ্টা পরপর মামলার অগ্রগতি মিডিয়ার মাধ্যমে আমাদেরকে জানাতে হবে, দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। বিশেষ করে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক হত্যার ঘটনায় বিভাগে যে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যেকোনো ধারালো অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কঠোর নজরদারি এবং বহনের ক্ষেত্রে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। শিক্ষক হত্যার তদন্ত যাতে ভিন্নখাতে প্রবাহিত না হয় সেদিকে কঠোর নজরদারি থাকতে হবে। এছাড়া ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজির যোগাযোগের ওয়েবাসাইটে শিক্ষক রেজাউল হত্যার সমর্থনে যারা অপপ্রচার চালিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে বলে জোর দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচি: রাবি অধ্যাপক হত্যার ঘটনায় আজও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। এছাড়া পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক পরিবার। তাদের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ সকাল ১০টায় সিনের ভবনের সামনে মানববন্ধন শেষে ১১টায় বিভাগের পক্ষ থেকে শোকসভা আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া চলতি সপ্তাহে প্রতিদিন সকাল ১১টায় হত্যার অধ্যাপক বিচারের দাবিতে বিভাগের পক্ষ থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হবে।

সিদ্দিকীসহ সব নৃশংস হত্যার তদন্ত চায় যুক্তরাষ্ট্র
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর রেজাউল করিম সিদ্দিকীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ঢাকায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাট গতকাল এক বিবৃতিতে ওই ঘটনাসহ সামপ্রতিক সময়ে সংঘটিত সব হামলার তদন্ত এবং অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। দূতাবাসের পাঠানো বিবৃতিতে রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রফেসর রেজাউল করিম সিদ্দিকীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আমরা নিন্দা জানাই। তার মৃত্যুতে যে ক্ষতি হয়েছে তার জন্য শোক প্রকাশ করি। তাকে যারা চিনতেন আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং জেনেছি যে তিনি একজন বিনয়ী ও সংস্কৃতিমনা মানুষ ছিলেন, সেতার ভালোবাসতেন এবং স্থানীয় মসজিদে দান করতেন। তার কর্মের যে উত্তরাধিকার তিনি রেখে গেছেন, সহিংস চরমপন্থিদের কোনো দাবিই তাকে ছাপিয়ে যেতে পারবে না। এসব হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাতে এবং অসহিষ্ণুতা ও ঘৃণার বশবর্তী হয়ে যারা এই হামলা করেছে ও অন্যান্য সমস্ত হামলার পেছনে যারা রয়েছে তাদের আটক করতে আমি আবারও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানাই।

অধ্যাপক হত্যার ঘটনায় ইইউ’র নিন্দা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিক খুনের নিন্দা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ২৮ রাষ্ট্রের ওই জোটের ঢাকাস্থ ডেলিগেশন প্রধান রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়েদুন গতকাল এক বিবৃতিতে নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার উসকানিদাতা ও হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার তাগিদ দেন। ইইউ মিশনের পাঠানো বিবৃতিতে রাষ্ট্রদূত বলেন তাৎক্ষণিক পাওয়া তথ্য মতে উগ্রপন্থিরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। যদি তা নিশ্চিত হয়, তা হলে সামপ্রতিক সময়ে এটি হবে বাংলাদেশে আরেকটি সন্ত্রাসী আক্রমণের ঘটনা। শিক্ষাবিদ এবং বিদ্বান ব্যক্তিদের হত্যা ঘটনা সার্বিকভাবে যে কোনো সমাজের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করে ইইউ দূত বলেন, এটি খুবই স্বস্তির বিষয় যে এমন অসুস্থ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা খুব দ্রুতই তাদের ক্ষোভ-প্রতিবাদ জানিয়েছে। বিবৃতিতে রাষ্ট্রদূত নিহত প্রফেসর রেজাউল করিমের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

অধ্যাপক হত্যার বিচার দাবি ঢাবি শিক্ষক সমিতির
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনারও দাবি করেন তারা। গতকাল সন্ধ্যায় সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই দাবি করে শিক্ষক সমিতি। বিবৃতিতে শিক্ষক নেতাদ্বয় বলেন, অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকী সংস্কৃতমনা ও প্রগতিশীল ছিলেন। তাকে হত্যার পর দায় স্বীকার করে একটি ধর্মান্ধ জঙ্গিগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে টুইট বার্তায় বলা হয়, ‘নাস্তিকতার দিকে আহ্বান জানানোর দায়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। গত একযুগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েই ধর্মান্ধদের হাতে চারজন অধ্যাপক নিহত হয়েছেন। তারা বলেন, দেশের খ্যাতনামা লেখক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের ওপর সন্ত্রাসী আক্রমণের মাধ্যমে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো প্রগতিশীল ব্যক্তিদের ওপর হামলা শুরু করে। এরপর একের পর এক হামলা হয়েছে। কিন্তু একটি হত্যাকাণ্ডেরও বিচার হয়নি। শিক্ষকদ্বয় আরও বলেন, অতীতের হত্যাকাণ্ডগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না হওয়ায় জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো লাগামহীনভাবে তাদের হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের আস্ফালন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষকরা এ ধরনের হত্যাকাণ্ড বন্ধে ও জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো দমনের জন্য সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের আহ্বান জানান।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4148816আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 8এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET