২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রশাসনিক দায়িত্ব হারাচ্ছেন

হুমায়ন আরাফাত, আশুলিয়া করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : জুলাই ২৫ ২০১৭, ২২:৪৫ | 616 বার পঠিত

নাজিম হাসান,রাজশাহী প্রতিনিধি:

দুইটি নাশকতা ও একটি অস্ত্র মামলার আসামি বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিন্নাত আলী। ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তার নামে তিনটি মামলা। এ সব মামলায় আসামিদের রিমান্ডে আনা হলেও এখন পর্যন্ত একটিরও চার্জশিট দাখিল করেনি পুলিশ। তবে সর্বশেষ মামলায় জিন্নাত আলী গ্রেফতারের পর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পেয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান শফিউর রহমান শফি। ধারনা করা হচ্ছে, তিনি খুব শীঘ্রই প্রশাসনিক দায়িত্ব বুঝে পাবেন । এ জন্য প্রয়োজনীয় সকল উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। যে কোন দিন এ বিষয়ে সরকারি আদেশ হতে পারে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার হামিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলছেন, দীর্ঘদিন পরিষদের চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গত কারণে এ পরিস্থিতি নিরসনের জন্য জেলা পরিষদে বিয়টি অবগত করার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যে কোন দিন ভাইস চেয়ারম্যান প্রশাসনিক কাজও করতে পারবেন বলে আদেশ হবে। সূত্র মতে, বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিন্নাত আলী উপজেলা জামায়াতের আমির। তার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে বিএনপি জামায়াতের চলমান নাশকতার ঘটনায় মামলা হয়। এছাড়াও ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর আড়ানী পৌর এলাকার একটি মসজিদে জামায়াতের গোপন বৈঠক চলার সময় পুলিশ হানা দেয় সেখানে। ওই সময় জিহাদি বই ও অস্ত্র সহ সেখান থেকে কয়েকজন জামায়াত নেতাকে আটক করে পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে রক্ষা পান উপজেলা জামাতের আমির মওলানা জিন্নাত আলী। এ মামলায়ও তিনি আসামি হন। তবে গ্রেফতার এড়াতে হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন তিনি। এর আগে উপজেলার চক ছাতারি মসজিতে গোপন বৈঠকের সময় হানা দিয়ে ৩০ জন জামাত নেতাকে আটক করে পুলিশ। ওইদিন মাত্র ৩-৪ মিনিটের ব্যবধানে সেখান থেকে পালিয়ে যান জামাত নেতা জিন্নাত আলী। লোকজনের অভিযোগ, থানা পুলিশের সাথে তার সক্ষতা থাকার করনে সেখান থেকে তিনি পালাতে সক্ষম হন। সর্বশেষ গত ৮ জুলাই বাঘার আমোদপুর জামে মসজিদের ভেতর নাশকতার উদ্দেশ্যে আবারো গোপন মিটিং করার সময় ১১ জন জামায়াত নেতা গ্রেফতার হয়। ওই দিন মসজিদের বাইরে অনেক লোকজন থাকার কারনে পালিয়ে যেতে পারেননি জিন্নাত আলী। তবে এ মামলার প্রধান আসামি হয়েছেন তিনি । জানা গেছে ,ওই দিন উপজেলা সদরে বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সমাবেশ চলছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আমোদপুর গ্রামের এক স্কুল শিক্ষক জানান, ওই মসজিদের সভাপতি ঢাকায় থাকেন। কিন্তু সাধারণ সম্পাদক জামাতের রোকন এবং উপজেলা জামাতের আমির মওলানা জিন্নত আলীর শ্যালক হবার সুবাদে প্রতিবছর এই মসজিদে জামাতের ইফতার মাহ্ফিল সহ মাঝে মধ্যে দলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সূত্র জানায়, জামায়াতের এ নেতা একের পর এক রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে থাকেন। বিগত কয়েকটি ঘটনায় তিনি পার পেয়ে গেলেও শেষ বার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। যার কারণে তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তবে পুলিশ দুই বছর পূর্বের মামলায় এতো দিনেও কেন আদালতে চার্জশিট দিচ্ছেন না, এ নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলছেন, দ্রুত চার্জশিট গেলে চেয়ারম্যানের সাজা হবে আর সাজা হলে বন্ধ হয়ে যাবে উপজেলা পরিষদে তাঁর দুর্নীতি। এ কারনে তিনি ওসিকে ম্যানেজ করে চার্জশিট দিতে বিলম্ব করাচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সুত্র জানিয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান কারাগারে থাকলেও তার অনুসারীরা এলাকায় সক্রিয় থেকে নানা ধরনের সরকার বিরোধী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এবিষয়ে বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মাহামুদ দাবি করেছেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে তাঁর কোন সক্ষতা নেই। তিনটি মামলায় তিনজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা তদন্ত পুর্বক চার্জশিট তৈরী করলে তিনি মুহুর্তের মধ্যে সেটি স্বাক্ষর করে আদালতে দাখিল করবেন।#
রাজশাহীতে ৬ দিন ধরে একঘরে এক পরিবার

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4218578আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 15এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET