২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৮ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

ফেনীতে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : জুলাই ২০ ২০১৬, ১৪:২৯ | 623 বার পঠিত

সোনাগাজী,ফেনী প্রতিনিধি: জহিরুল হক খাঁন ( সজীব)-ফেনীতে সার্ভেয়ার থেকে হঠাৎ করে প্রকৌশলী হয়ে অনিয়ম- দুর্নীতির পাহাড় গড়েছেন আফছার হোসেন খোন্দকার। তিনি ফেনী জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী।তার নাই কোন প্রকৌশলীর সার্টিফিকেট ৷ তার অপকর্মে অতিষ্ঠ হয়ে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কাছে বারবার লিখিত অভিযোগ করলেও কোনো কাজ হয়নি।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২ মে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জুবাইদা নাসরিন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু অদৃশ্য কারণে তার বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার প্রকৌকল অধিদফতর ব্যবস্থা না নেয়ায় ১৬ মে পুনরায় তাদিগপত্র প্রেরণ করেন জুবাইদা নাসরিন। ওই তাগিদপত্রে ১১ জুলাইয়ের মধ্যে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে মন্ত্রণালয়কে জানাতে বলা হয়। ফেনী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী এহসানুল পারভেজ স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগপত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকার গাজীপুর থেকে সহকারী প্রকৌশলী হয়ে ফেনী জেলা পরিষদে যোগদান করেন আফছার হোসেন খোন্দকার। যোগদানের পর থেকে তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে। ঠিকাদারদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা পকেটে পুরছেন সহকারী প্রকৌশলী আফছার হোসেন খোন্দকার।

পরশুরাম উপজেলার বক্সমাহমুদ বাজারে যাত্রী ছাউনি মেরামতের নামে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেখিয়ে লাখ টাকার কাজ করেন। ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নে কালভার্ট নির্মাণের নামে সাড়ে তিন লাখ টাকার প্রকল্প দেখিয়ে ৫৫ হাজার টাকার কাজ করে বাকি টাকা ভাগ করে নেন আফছার ও ঠিকাদার। এ অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা পরিষদ প্রশাসক আজিজ আহাম্মদ চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী এহসানুল পারভেজ ঘটনাস্থলে গিয়ে এর সত্যতা পেয়ে প্রকল্পের বরাদ্দের চেক স্থগিত করেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়,

ফেনীতে যোগদানের পর থেকে আফছার হোসেন খোন্দকার প্রকৌশলীর বরাদ্দকৃত বাসায় নিজে না থেকে স্থানীয় এক ঠিকাদারকে ভাড়া দিয়ে জেলা পরিষদের বাংলোয় বসবাস করেন। ওই অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, একাধিকবার চিঠি দিলেও সরকারি বাংলো ভাড়া তিনি পরিশোধ করেননি। জানা যায়, ১৯৯৮ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলায় সার্ভেয়ার পদে যোগদান করেন আফছার হোসেন খোন্দকার। ১৮ বছরের মধ্যে সার্ভেয়ার থেকে কোনো সার্টিফিকেট ছাড়াই কখন কিভাবে তিনি প্রকৌশলীতে পরিণত হন তা অজানা।
এ বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী এহসানুল পারভেজ জানান, আফছার হোসেন খোন্দকার সার্ভেয়ার হিসেবে যোগদানের রেকর্ড সার্ভিসবুকে সংরক্ষিত থাকলেও প্রকৌশলীর কোনো সার্টিফিকেট পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নয়া আলোকে অভিযুক্ত আফছার হোসেন মোবাইল ফোনে  তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4158950আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 5এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET