২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

পানিবন্দী শহরকসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

হুমায়ন আরাফাত, আশুলিয়া করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : জুলাই ২৭ ২০১৭, ২২:১৩ | 617 বার পঠিত

মনির হোসেন রবিন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ

আমাদের ছোটো নদী চলে বাঁকে বাঁকে, বৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে। পার হয়ে যায় গরু, পার হয় গাড়ি, দুই ধার উঁচু তার, ঢালু তার পাড়ি।কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কবিতাটি আজ বড্ড মনে পড়ছে লক্ষ্মীপুর জেলার শহরকসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জ্বলাবদ্ধতা দেখে। শহরকসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের বৃষ্টির পানি নিস্কাশনের সমস্যায় শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীর ভোগান্তি এখন চরমে উঠেছে। সদর উপজেলার শহর কসবা সরকারী প্রাথমিক ক্যাম্পাসে বৃষ্টির পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারণে জমে থাকা হাটুজল অতিক্রম করে মাঠে যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিশু ছাত্রছাত্রীদের। আকাশের সামান্য বৃষ্টি হলেই বিদ্যালয়ের শত শত ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-কর্মচারী কাদার মাঠ অতিক্রম করে কাঁদা-মাটি নিয়ে স্কুলের ক্লাসে যেতে হয়। গত দুদিন আকাশের ভারী বৃষ্টি হলে স্কুল ক্যাম্পাস অধিকাংশ তলিয়ে যায়। এ অবস্থা থাকার পরেও পাঠদান করতে হচ্ছে । সৃষ্ট পরিবেশে অনেক ছাত্র-ছত্রী অসুস্থ্য হয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে এবং ছেলে মেয়েদের অসুস্থ্য হওয়ার ভয়ে অনেক অভিভাবকেরা স্কুলে পাঠাছে না তাদের সন্তানদের । ২বছর ধরে এঅবস্থা চলতে থাকলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছে না বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। বাড়ছে শিক্ষক-শিকক্ষার্থীদর দুর্ভোগ। শিক্ষার্থীদের পাঠ দানেও ব্যাহত হচ্ছে। ৪র্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীর বাবা রফিকুল ইসলাম নিজ ইচ্ছায় এই প্রতিবেদকে বলেন, ভাই এই স্কুলে মেয়েকে ভর্তি করে বিপদে পড়ে গেছি। এক দিন মেয়ের পোশাক পরিষ্কার না করলে মেয়ে স্কুলে আসতে পারে না। ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী শাহিনুর জানায় বৃষ্টির কারণে স্কুলে আসতে পারি না, স্কুল ড্রেস ,বইপত্র ভিজে যায়। পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত কাঁদা-পানিতে ভিজে হাত-পা চুলকায় পরে ঘা হয়। পানিতে ভেসে আসা ময়লা দুর্গন্ধ আর পোকা-মাকড়ের ভয়ে স্কুলে আসতেও খারাপ লাগে। সামনে পরিক্ষা স্কুলে না এসেও উপায় নেই । শহর কসবা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ইমাম উদ্দিন বলেন, আকাশের বৃষ্টির সময় স্কুল ক্যাম্পাস পানিতে তলিয়ে যায়। ছাত্রছাত্রীর বই-খাতা পানিতে নষ্ট হয়। এ ছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীদের সর্দ্দি, জ্বর, হাচি-কাশিসহ নানা রোগ দেখা দেয়। ক্যাম্পাসের পানি শুকিয়ে গিয়ে বিদঘুটে দুর্গন্ধে বমি পর্যন্ত হয়। এ অবস্থায় স্কুল বন্ধও রাখা যায় না, আবার দুর্গন্ধের কারনে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে যায়। বর্ষা-বাদল ছাড়াও সামান্য বৃষ্টিতে স্কুল ক্যাম্পাস পানিতে তলিয়ে যায়। পানি নিস্কাশনে কোন ব্যবস্থ না থাকায় এবং মাঠ নিচু থাকায় মূলত জলাবদ্ধতার মূল কারণ। এতে করে পাঠদান কর্মসুচী মারত্বক ভাবে বিঘিœত হয়। বিদ্যালয় ভবন জুকিপূর্ণ তাই আমরা স্থনীয় ও ইউপির সহযোগিতায় নতুন টিনশেড ঘর তৈরী করেছি বৃষ্টির পানি সেই ঘওে ডুকেছে।

 

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4207062আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 11এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET