৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৮ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • সকল সংবাদ
  • পল্লী বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিংয়ে মহেশপুরে তালপাখার কদর এখন আকাশ ছোঁয়া।  

পল্লী বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিংয়ে মহেশপুরে তালপাখার কদর এখন আকাশ ছোঁয়া।  

হুমায়ন আরাফাত, আশুলিয়া করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : মে ২৩ ২০১৭, ২২:০৯ | 678 বার পঠিত

আহসান হাবীবমহেশপুরে :

তোমার হাত পাখার বাতাসে প্রাণ জুড়িয়ে আসে আকবরের সেই বিখ্যাত গানটির কথা হয়ত সবার মনে আছে ।আজ মহেশপুরে অসহনীয় লোডশেডিং এ গরমে মানুষের কাছে এখন তালপাতার হাতপাখা পরমসঙ্গী হিসাবে ধরা দিয়েছে ।মহেশপুরে উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জনজীবন  গত তিন চার মাস যাবত ভয়াবহ লোডশেডিং এ বিপযস্ত হয়েপড়েছে। দৈনিক ১০ -১২ ঘণ্টা লোডশেডিং হচেছ এউপজেলায়,গরমের হ্ত থেকে বাঁচতে মানুষ এখন তালপাখা কিনতে ব্যাস্ত,গত কাল উপজেলার খালিশপুর হাটের ফুটপাতে গিয়ে দেখা যায় এইতাল পাখার দোকানের পাশে উপচে পড়া ভিড়, ২০ টাকার হাতপাখা বিক্রি হচেছ৩০ টাকা দরে।বিক্রেতা সানোয়ার হোসেন দিলু  জানান,এই তালপাখার বিক্রি এবার অনান্য বছরের তুললায় অনেকভাল কারণ বিদ্যুৎ ঠিকমত না থাকার কারণে চাজার ফ্যানে গুলোএকেবারে গরমে কাজে আসছে না, তাই মানুষ এই তালপাখার উপর ঝুকে পড়েছে।
ফুটপাতের আরেক বিক্রেতা আনন্দ দাস বলেন,আমার বাসা কালিগজ্ঞ, আমি নিজে তালপাখা বানায়ে বিক্রি করি,বছরে ২/৩মাস তাল পাখার বেশি চাহিদা থাকে। চৈত্র থেকে শুরু করে জ্যৈষ্ঠ মাসপর্যস্ত বিক্রির মৌসুম হলেও চৈত্র ও বৈশাখ মাসই পাখা বিক্রির উপযুক্ত সময়। প্রচণ্ড তাপদাহ ও বিদ্যুতের লোডশেডিং এ সময়টাতে তালপাখার প্রয়োজন বেশি হয়ে থাকে। ফলে এ সময় আমাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। বছরের অন্যান্য মাসে তালপাখার তৈরির কাজ ও বিক্রি চললেও শীত আসলে বিক্রি বন্ধহয়ে যায়।তিনি আরও জানান,পরিবারের ছোটরাও পড়াশোনার পাশাপাশি বাবা-মায়েদের বিভিন্ন কাজে সহায়তা করে।গত বছরগুলোর চেয়ে এবছর একটি পাখাতে দাম বেড়েছে প্রায় ৩ টাকা। কিন্তু লাভ হচ্ছে কম। কারণ প্রতিটি জিনিসেরই দাম বেশি।তিনি আরও জানান,প্রতিটি পাখায় তৈরি পর্যন্ত প্রায় ৮ থেকে১০ টাকা খরচ হচ্ছে। বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১২ থেকে ১৫ টাকা টাকা। অবশ্য পাইকার ব্যবসায়ীরা উপরোক্ত দামে পাখাগুলি তাদের কাছ থেকে নিয়ে যায়। তারা একটি পাখা ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি করে।অবশ্য খুব গরমে হাত পাখার চাহিদা বেশিহওয়ায় একটি পাখা তারা ২৫ থেকে ৩০ টাকায়ও বিক্রি হয়।তিনি আরও পাখা তৈরি করতে রং,সুতা, বাঁশ, কুঞ্চি, তালের পাতার প্রয়োজন হয়।একটি তালের পাতা ৫টাকা দরে তারা কিনে থাকেন। আর যারা পাখা সেলাইয়ের কাজ করেন তারা পাখা প্রতি ১ টাকাকরে পান। যারা ১০০ জাড়াসোলার কাজ করে তারা ১০ টাকা পান। সব মিলিয়ে একটিপাখা তৈরি করতে ৮টাকার বেশি খরচ হয়। বিক্রি করা হয় ১০ থেকে ১২ টাকায়। একজনকারিগর প্রতিদিন ৬০থেকে ৭০টি তালপাখা তৈরি করতে পারেন। ফলে প্রতিটি কারিগর বিক্রির মৌসুমে দিনেযাবতীয় খরচ বাদে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা আয় করতে পারেন। পাইকাররা এখন বাড়ি থেকেই পাখা কিনে নিয়ে যাচ্ছে।
স্থানিয় একজন ক্রেতা দিলুমিয়া বলেন, গরমে বিদ্যুতের যে অবস্থা তাতেজীবন বাঁচাতে হাতপাথার কোন বিকপ্ল নেই আমি চার টাপাখা কিনেছি ১০০ টাকা দিয়ে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4223241আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 4এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET