১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • সকল সংবাদ
  • নড়াইলে মুক্তিযুদ্ধ না করেই সরকারি সুযোগসুবিধা নেয়ার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলে অভিযোগ

নড়াইলে মুক্তিযুদ্ধ না করেই সরকারি সুযোগসুবিধা নেয়ার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলে অভিযোগ

হুমায়ন আরাফাত, আশুলিয়া করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : জুলাই ১৯ ২০১৭, ২৩:৪১ | 631 বার পঠিত

উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি :

মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করেও এখন মুক্তিযোদ্ধা এমন অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলে অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। অভিযুক্তের নাম মোঃ আতিয়ার রহমান। তিনি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মহিসাপাড়া গ্রামের পাঞ্জু ফকিরের ছেলে।অভিযোগে জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ৯ মাসই মোঃ আতিয়ার রহমান কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় স্বাস্থ্য সহকারী পদে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী থাকলেও তিনি যোগাড় করতে সক্ষম হয়েছেন একাধিক মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত সনদ। ১৯৯৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত সনদে আতিয়ার রহমানকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। ২০০৩ সালের ২৪ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও সচিব স্বাক্ষরিত সনদেও তাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। ২০০৪ সালের ৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ গেজেটেও আতিয়ার রহমানকে গেজেটভূক্ত (ক্রমিক নম্বর ১২২১) করা হয়। সম্প্রতি মুক্তিযোদ্ধা যাচাইবাচাইয়েও আতিয়ার রহমান কে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেখানো হয়েছে। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা এর প্রতিবাদও জানিয়েছেন। লোহাগড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাইবাছাই কমিটির কাছে আতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তার ক্রমিক নং-৭১। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ভাতাপ্রাপ্ত অমুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় আতিয়ার রহমানের নাম রয়েছে। অভিযোগকারি ওই এলাকার শেখ মোশারেফ হোসেন, এসএম মনিরুল, আজিজসহ কয়েকজনে ইতিপূর্বে কয়েকদফায় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে আতিয়ার রহমানের নাম বাতিলের জন্য আবেদন করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোশারেফ হোসেন অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধ না করেই মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা নিচ্ছেন আতিয়ার রহমান। ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত আতিয়ার রহমান চাকুরিস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন এবং ১৪ জুন থেকে যুদ্ধচলাকালীন সময় পর্যন্ত চাকরিতেই ছিলেন। আতিয়ার রহমানের সরকারি চাকুরির সার্ভিস বুকে এর প্রমাণ রয়েছে। লোহাগড়াতে ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে যুদ্ধ শুরু হয়। অথচ আতিয়ার রহমান দাবি করে থাকেন তিনি ২৫ মার্চ থেকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা এসএম মনিরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আতিয়ার রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী। এই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার কারনে আমরা লজ্জিত হচ্ছি। অভিযুক্ত আতিয়ার রহমান দাবি করেছেন গ্রাম্য নোংরা রাজনীতির কারনে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল। জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ কবির হোসেন এ বিষয়ে ফোনে কোন মন্তব্য করতে চাননি। আতিয়ার রহমানের বিষয়টি নিয়ে লোহাগড়ায় পক্ষ-বিপক্ষ ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4216301আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 5এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET