৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৯শে রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • সকল সংবাদ
  • নড়াইলের বুড়িখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে মুরগির খামারে ।

নড়াইলের বুড়িখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে মুরগির খামারে ।

হুমায়ন আরাফাত, আশুলিয়া করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : মে ২৮ ২০১৭, ২২:৫৮ | 615 বার পঠিত

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি ।

নড়াইল( রবিবার ২৮ মে ) নড়াইলের পুরুলিয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিনের ছাউনির ঘরটি ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। বাধ্য হয়ে শিক্ষকেরা স্থানীয় ছোট বাজারে মুরগি বিক্রির একটি ঘরের পাটাতনে বসিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাচ্ছেন। সেখানে পরীক্ষাও নেওয়া হয়েছে তাদের। বিস্তারিত উজ্জ্বল রায়ের রিপোর্টে, সরেজমিনে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা ছোট একটি ঘরে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। গরমে শিক্ষার্থীদের ঘাম ঝরছে। কেউ কেউ হাত দিয়ে আবার কেউ পরনের জামা দিয়ে ঘাম মুছছে। আবার কেউ কেউ গরম বাতাসের কবল থেকে নিজের পরীক্ষার খাতা-কলম রক্ষা করতে হাত দিয়ে চেপে ধরে লিখছে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক কুলছুম খানম বলেন, ২০১২ সালে স্কুলটি স্থাপিত হয়। গত ২৩ এপ্রিল রাতের ঝড়ে বিদ্যালয়ের টিন ও বাঁশের তৈরি ঘরটি বিধ্বস্ত হয়। প্রথম সাময়িক পরীক্ষা চোকালে ঘরটি নষ্ট হওয়ায় বাধ্য হয়ে স্থানীয় বাজারের একটি মুরগির খামারে ১৪৫ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া হয়। বর্তমানে সেখানে পাঠদান করানো হচ্ছে। নড়াইলের পুরুলিয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির জমিদাতা মুঞ্জিল শেখ বলেন, উপায় না পেয়ে শিক্ষার্থীদের বাজারের একটি মুরগির (নতুন তৈরি) খামারে বসানো হয়েছে। রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় পরীক্ষা নেওয়ার কারণে ছেলেমেয়েদের অনেক অসুবিধাও হচ্ছে। পঞ্চম শ্রেণির আছিয়া খানম, তৃতীয় শ্রেণির মাছুমা খানম, তামান্নাসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী বলে, রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচলের জন্য ধুলাবালুর মধ্যে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। গরমে ঘেমে গিয়ে সমস্যা হচ্ছে। গাড়ির শব্দে কিছু শোনা যাচ্ছে না। অভিভাবক নাছিমা খানম বলেন, পাকা ভবন থাকলে শিশুরা মনের আনন্দে পরীক্ষা দিতে পারত। পুরুলিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জামাল হোসেন বলেন, ঝড়ে স্কুলঘরটি ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারের একটি নতুন মুরগির দোকানঘরে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দোকান মালিক ইয়ার আলী বলেন, ঘরটি বানানো হয়েছে মুরগির খামারের জন্য। স্কুলঘরটি ভেঙে যাওয়ায় শিশুদের কথা চিন্তা করে দোকানঘরেই পরীক্ষা নেওয়ার ও সাময়িক সময়ের জন্য ক্লাশ করতে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আশরাফ উদ্দীন বলেন, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে তিনি বিদ্যালয়টির দুরবস্থার কথা তুলে ধরে আবেদন জমা দিয়েছেন। কিন্তু সাড়া পাওয়া যায়নি। প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে আরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুধা রানী দাশ বলেন, তিনি বিষয়টি জানেন। পাঠদান চালিয়ে নিতে আপাতত টিন দিয়ে একটি ঘর তৈরি করার জন্য ৫ লাখ টাকা চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা উন্নয়ন শাখায় আবেদন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) নড়াইলের কালিয়া উপজেলা প্রকৌশলী আবদুস সাত্তার, আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়কে জানান,‘আমার দপ্তরে এমন কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি।’জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহ আলম ‘আমার দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগে ঘর মেরামতের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4227147আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 9এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET