২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • শিক্ষা
  • নাঙ্গলকোটের আলোকিত শিক্ষা গুরু সুশান্ত কুমার দাশ

নাঙ্গলকোটের আলোকিত শিক্ষা গুরু সুশান্ত কুমার দাশ

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : জুলাই ০৫ ২০১৭, ১৮:৩৫ | 672 বার পঠিত

সাইফুল ইসলাম-
একজন আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর প্রধান শিক্ষক সুশান্ত কুমার দাশ। একজন নিবেদিত প্রাণ শিক্ষক হিসেবে অত্র অঞ্চলের শিক্ষার বাতিঘর বিস্তারে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন। যার ধ্যান-জ্ঞান ছিল শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞান বিতরণ করা। নাঙ্গলকোটের রায়কোট ইউনিয়নের শিক্ষা বিস্তারে তার অবদান ভুলার মত নয়। তিনি হচ্ছেন উপজেলার মাহিনী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুশান্ত কুমার দাশ। যার আলোকছটায় মাহিনী উচ্চ বিদ্যালয় নাঙ্গলকোটের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রুপ নেয়। বিভিন্ন সময়ে ভালো ফলাফলসহ পর-পর চার বছর প্রতিষ্ঠানটির শতভাগ শিক্ষার্থী পাসসহ উপজেলা পর্যায়ে চারবার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের খ্যাতি অর্জন করে। এই প্রতিষ্ঠানের প্রাণ প্রিয় শিক্ষাগুরু সুশান্ত কুমার দাশ দীর্ঘ ৩৪বছর ৩মাস চাকুরী জীবনের সফল পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে গত ৪ জুলাই মঙ্গলবার বিদায় নিয়েছেন। হাজার-হাজার শিক্ষার্থীর এই শিক্ষাগুরুর বিদায়ের ক্ষণে অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ শিক্ষা বান্ধব মানুষদের মাঝে বিষাদের ছায়া নেমে এসেছে। সদা হাস্যোজ্জ্বল এবং নিরেট ভদ্রলোক এই শিক্ষক সবাইকে নিজ মেধাগুণে আপন করে নিয়েছেন। কিভাবে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল করা যায় এই চিন্তায় সব-সময় মগ্ন থাকতেন। যার সফল বাস্তবায়ন অত্র অঞ্চলের মানুষজন দেখেছেন। তিনি সাদাকে সাদা বলতেন এবং কালোকে কালো বলতে দ্বিধা করতেন না। একজন আত্মপ্রচার বিমুখ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি মাহিনী উচ্চ বিদ্যালয়কে ভালোবেসে সুদূর চট্রগ্রামের বাঁশখালি থেকে এখানে এসে থিতু হয়েছেন। জীবনে কখনো স্কুল ফাঁকি দেন নাই। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্তসহ বন্ধের দিনগুলোতে বিদ্যালয়ের কাজ করেছেন। কখনো রাত ১০টা পর্যন্তও বিদ্যালয়ের কাজ করেছেন। নিজের চাকুরী জীবনে যা আয় করেছেন তা দিয়ে ব্যয় নির্বাহ করেছেন। কোন ব্যাংক ব্যালেন্স নেই। একমাত্র ছেলে সুদীপ্ত শেখর দাশ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে প্রাণী বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স এবং মাষ্টার্স শেষ করেছেন। বর্তমানে সে চট্রগ্রামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করছেন। অবসর জীবনে শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
সুশান্ত কুমার দাশ চট্রগ্রামের বাঁশখালি উপজেলা সদরের জলদী গ্রামে ১৯৫৭সালের ৫জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-স্বর্গীয় নিবারণ চন্দ্র দাশ। স্ত্রী, পাঁচ ভাই এবং দুই বোন রয়েছে। তিনি চট্রগ্রামের বাঁশখালি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩সালে বাণিজ্য বিভাগে এস এস সি, ১৯৭৫সালে বাঁশখালি আলাউল ডিগ্রী কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে এইচ এস সি এবং ১৯৭৯সালে বাঁশখালি ডিগ্রী কলেজ থেকে বি কম পাস করেন। বিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালীন ১৯৮৭সালে ফেনী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বি এড পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি মাহিনী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৮৩সালের ১জুলাই সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৮৪সালের ২২জুলাই একই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।
এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আওয়ামীলীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব ছিদ্দিকুর রহমান মজুমদার ১৯৭২সালের ১জানুয়ারী বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে জুনিয়র বিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি চালু হলে ও ১৯৮৮সালের ১জানুয়ারী থেকে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়। বিদ্যালয়ে বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৬শ জন রয়েছে। বিদ্যালয়টি শুরুতে জরাজীর্ণ টিনশেডের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে একটি দ্বিতল ভবনসহ অন্য একটি ভবন রয়েছে। আরো নতুন ভবন নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এলাকাবাসীর ঐকান্তিক সহযোগিতা এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় গ্রামীণ পরিবেশে বিদ্যালয়টি একটি মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
বিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন সময়ে ভালো ফলাফলসহ ২০১১, ২০১২, ২০১৩ এবং ২০১৪সালে শতভাগ শিক্ষার্থী পাসসহ উপজেলা পর্যায়ে সেরা প্রতিষ্ঠানের খ্যাতি অর্জন করে। ২০১৭সালে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে শতকরা পাসের হার ৫৯.০৩ হলেও মাহিনী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১শ ১১জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮৯জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। পাসের হার শতকরা ৮০.১৮। উপজেলা পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটি ২য় স্থান অর্জন করে। ২০১১সালে ৬৬জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫জন জিপিএ-৫সহ সবাই উত্তীর্ণ হয়। ২০১২সালে ৫৯জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮জন জিপিএ-৫সহ সবাই উত্তীর্ণ হয়। ২০১৩সালে ৬৯জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৭জন জিপিএ-৫সহ সবাই উত্তীর্ণ হয়। ২০১৪সালে ৭৪জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৯জন জিপিএ-৫সহ সবাই উত্তীর্ণ হয়।
সুশান্ত কুমার দাশ বিদ্যালয় চলাকালীন কোন ক্লাশ খালি যাচ্ছে কিনা তা তদারকি করতেন। শিক্ষকরা ক্লাশে ঠিকমত পাঠদান করছে কিনা তিনি হেঁটে-হেঁটে পর্যবেক্ষণ করতেন। বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা নম্বর কম পেলে শিক্ষকদের সাথে আলাদাভাবে বসে কিভাবে উন্নতি করা যায় পরামর্শ করতেন। তিনি শিক্ষকদের সাথে আন্তরিকভাবে মিশে যেতেন। যে শিক্ষকের যতটুকু সামর্থ্য আছে সে অনুযায়ী ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে সর্বোচ্চটা পায় সে ব্যবস্থা করতেন। তিনি শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অসুবিধা তদারকি করে শিক্ষকদের সাথে পারিবারিক সদস্যদের মত আন্তরিকভাবে কথা বলতেন। এতে শিক্ষকরা পাঠদানে উৎসাহিত হতো। বিদ্যালয়ের অফিসিয়াল কাজ অন্য শিক্ষকদের দিয়ে করালে শ্রেণী কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে এই জন্য তিনি নিজেই অফিসিয়াল কাজ করতেন। তিনি সব-সময় শিক্ষকদের বলতেন-সব শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে না। কিন্তু আমার বিদ্যালয়ে যারা লেখাপড়া করছে, তারা যাতে ভালো মানুষ হতে পারে, সেদিকে শিক্ষকদের খেয়াল রাখার পরামর্শ প্রদান করতেন।
সুশান্ত কুমার দাশ বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফলের ব্যাপারে বলেন, বিদ্যালয়ে ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রে ক্লাশ ডায়েরী অনুসরণ এবং প্রত্যেক বিষয়ে পাঠ পরিকল্পনার মাধ্যমে শ্রেণীতে পাঠদান করা হয়। ছাত্র-ছাত্রী অনুপস্থিতির ব্যাপারে অভিভাবকদের অবহিতকরণের মাধ্যমে ক্লাশে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, দুর্বল শিক্ষার্থীদের পাঠ উন্নতির জন্য বিশেষ পাঠ দানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী শ্রেণীভিত্তিক ক্লাশ টেষ্ট গ্রহণ করে মেধার মূল্যায়ন করা হয়। মানসম্মত পাঠদানের জন্য শিক্ষকরা প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান প্রয়োগ করে কিনা বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। শিক্ষকরা ক্লাশের প্রতি যাতে উৎসাহিত হয় সেজন্য তাদেরকে অনুপ্রেরণা দেয়া হয়। একই দিন বেশ কিছু শিক্ষক ছুটিতে থাকলে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নটেরডেম কলেজসহ দেশের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত তাদেরকে নিয়ে এসে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাশ নেয়া হয়। এছাড়া প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতার আলোকে ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে আরো ভালো করতে পারে এজন্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মোটিভেশন ক্লাশও নেয়া হয়।
সরকারি বিধি মোতাবেক মাল্টি মিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে মাল্টি মিডিয়ার মাধ্যমে শ্রেণীতে পাঠদান করা হয়। মাল্টিমিডিয়া ক্লাশ রুম কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে ড্যাশবোর্ডে সরাসরি উপস্থাপন করা হয়। প্রধান শিক্ষকের কৃতিভিত্তিক ব্যবস্থাপনার আলোকে প্রতিষ্ঠান প্রধানের রেজিষ্টার যথাবিধি লিপিবদ্ধ করা হয়। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের সভা করা হয়। প্রতি টার্মে বছরে দুইবার অভিভাবক সমাবেশ করা হয়। ২০১৫সালে ১৭টি ল্যাপটপ নিয়ে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব উদ্বোধন করা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তিনি বলেন- বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করলে পুলকিত এবং উৎসাহিত হই। ফলাফলের পর তাদেরকে একত্রিত করে তাদের অগ্রগতি যেন অব্যাহত থাকে সে ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। বিদ্যালয়ের সহ-শিক্ষা কার্যক্রম স্কাউটিং, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, ফুটবল, ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় নিয়মিত পালন করা হয়। এছাড়া বিদ্যালয়ে ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং উন্মেষ নামে দেয়াল পত্রিকা রয়েছে।
সুশান্ত কুমার দাশ চাকুরীজীবনে বিপদে না পড়লে কখনো ছুটি নিতেন না। একদিনের জন্যও মেডিক্যাল ছুটি ভোগ করেননি। বি এড- এ অধ্যয়নরত অবস্থায় শিক্ষা ছুটি এবং বছরের অল্প কয়েকদিন নৈমিত্তিক ছুটি ব্যতিত অন্য ছুটি ভোগ করেননি। বিদ্যালয়ে রুটিনমাফিক সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উপস্থিত থাকতেন। বন্ধের দিনগুলোতে বিদ্যালয়ের কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।
তিনি শিক্ষকতার জীবনের শেষ লগ্নে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, শিক্ষার্থীদের সাথে দীর্ঘদিনের মিথস্ক্রিয়া আমাকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করে। আমি আমার শতভাগ জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে শিক্ষার্থীদের আলোকিত করার জন্য সার্বিক প্রচেষ্টা চালিয়েছি। বিদ্যালয়ের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বিদ্যালয়ের নামে কোন মামলা-মোকদ্দমা নেই। উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থী আজ পর্যন্ত দেখা যায়নি। বিদায়ের ভাষা ব্যক্ত করার মত নয়। বিদ্যালয়ের প্রতিটি ইট-কণার সাথে আমার স্মৃতি মিশে আছে। যতদিন বেঁচে থাকবো বিদ্যালয়ের স্মৃতি আমার মনে চির জাগরুক থাকবে। বিদ্যালয়টিতে আমার চাইতে ভালো প্রধান শিক্ষক আসলে আমি অনুপ্রাণিত হবো। আমি বিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন ‘ভালো প্রশাসক জনপ্রিয় হতে পারে না’ কারণ সে প্রত্যেকের কাজের প্রতি উৎসাহিত করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং বিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেন। সেটি অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না। এজন্য কেউ-কেউ ব্যতিক্রম ভূমিকা পালন করেন। তিনি আরো বলেন, বিদায়ের পর হঠাৎ করে বিদ্যালয় বিমুখ হলে শারীরিক প্রতিক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। এজন্য শিক্ষামূলক সামাজিক কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন অত্র এলাকায় থাকার ইচ্ছা রয়েছে।
মহান শিক্ষক সুশান্ত কুমার দাশকে চাকুরীর শেষ জীবনে কিছুটা ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বিদায় নিতে হচ্ছে। চাকুরী জীবনে ব্যাংক ব্যালেন্স বলতে কিছু নেই। অবসর এবং কল্যাণ সুবিধাই তার একমাত্র এককালীন আয়। কিন্তু প্রশাসনিক দীর্ঘ সূত্রিতার কারণে এই দু‘টি সুবিধা পেতে ভোগান্তির শেষ থাকে না। তিনি দ্রুত অবসর এবং কল্যাণ সুবিধা প্রদানে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4217999আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 17এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET