৬ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

দোহারে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে লটকন ফল

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : জুলাই ০৮ ২০১৭, ২১:০৪ | 655 বার পঠিত

ইমরান খান রাজ (দোহার প্রতিনিধি),

ঢাকার দোহারে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে লটকন ফল। দোহারের প্রায় সব বাজারেই এই মৌসুমি ফলের সমারোহ রয়েছে। আর দাম হাতের নাগালের ভিতর হওয়াতে সব শ্রেণী ও পেশার মানুষ নিজের ও পরিবারের জন্য কিনছেন এই ফল। লটকন অনেক সু-স্বাদু তাই এর চাহিদাও বেশি।

লটকন ব্যবসায়ী নূর হোসেন জানান, গতবারের চেয়ে এবছর লটকনের চাহিদা বেড়েছে। এর নানান উপকারিতা থাকায় ক্রেতারা সবাই এই ফল পছন্দ করে এমনকি বাচ্চারাও এই ফল ক্ষেতে পছন্দ করে। সাধারণত ৯০-১০০ টাকার মধ্যে প্রতি কেজি ফল পাওয়া যায়। তবে আকার ভেদে তা ১২০-১৫০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

বছরের সব সময় লটকনের চারা রোপণ করা যায়, তবে বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে চারা রোপণ করা হয়ে থাকে । চারা আলাদা করে ক্রয় করার প্রয়োজন হয় না । গাছ থেকে পড়ে বা পাখি খেয়ে যে লটকন ফেলে দেয় সেটা থেকে চারা গজিয়ে ওঠে। তবে চারা বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। চারা রোপণ করার চার থেকে পাঁচ বছর পর লটকনের ফলন শুরু হয়। একটি গাছে ১০ থেকে ১১ মন লটকন পাওয়া যায়। প্রতিমণ লটকন ৭ থেকে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়।

লটকন বাংলাদেশের অতি সুপরিচিত এক প্রকার টক মিষ্টি ফল। উৎপাদনের পরিমাণ বেশি না হলেও এখন বাংলাদেশের সব এলাকাতেই এর চাষ হয়। তবে নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নেত্রকোনা ও সিলেট এলাকায় এর চাষ বেশি লক্ষ্য করা যায়। টক-মিষ্টি স্বাদযুক্ত লটকন খাদ্যমানের দিক দিয়ে বেশ গুণাগুণ সমৃদ্ধ। গাছের গোড়া থেকে শুরু করে ডালপালা পর্যন্ত ঝুলন্ত পুষ্পমঞ্জরিতে থোকায় থোকায় ফল আসে। প্রতিটি পুষ্পমঞ্জরীতে পাঁচ থেকে পঞ্চাশটি ফল দেখা যায়। বাজারে এখন লটকনের বেশ চাহিদা রয়েছে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4227324আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 9এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET