২৯শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

তাহেরপুর পৌরসভা ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না ।

হুমায়ন আরাফাত, আশুলিয়া করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : মে ৩১ ২০১৭, ২১:৪২ | 605 বার পঠিত

নাজিম হাসান,রাজশাহী:

বাগমারার তাহেরপুর পৌরসভার ভুমি অফিসে নামজারি,খারিজ,দাগ নাম্বার ও বিভিন্ন ধরনের ফরম নিতে ভূমি অফিসে ঘুষ দিতে হয় হাজার হাজার টাকা। কিন্তু সরকার তাদেরকে প্রতিমাসে হাজার হাজার টাকা বেতন-ভাতা দিলেও পেট ভরেনা ঐ টাকায়। এছাড়া তহসিলদার,পিয়ন এবং বাইরের দালালদের সমন্বয়ে ভূমি অফিসে তৈরি হয়েছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি সাধারণ মানুষ। একটি ছোট কাজও ঘুষ ছাড়া করা যায় না। সিন্ডিকেটগুলো সংগঠিতভাবে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আদায় করে থাকে। মিষ্টি খাওয়ার নামে এসব অর্থ আদায় করা হচেছ বলে ভুক্তিভুগি এলাকাবাসিদের আভিযোগ। কিন্তু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্যে সিন্ডিকেটে ভোরে গেছে ভূমি অফিস। এতে করে সেবা নিতে আসা ব্যক্তিরা কে কর্মকর্তা বা কর্মচারী আবার কে দালাল না বুঝে পড়ছেন তাদের খপ্পড়ে। ফলে দালালদের দৌরাতেœ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ জনগন। জানাগেছে ভূমি অফিসের তহসিলদার ইমাম আলী ও পিয়ন রনজিদ কুমারের আশ্রয়ে পুরাতন দালাল শামীম চক্রটি অফিসে বেপরোয়া ভাবে ফাইলপত্র দেখভাল করছেন। আবার অন্যের ফাইল দিচ্ছেন হারিয়ে। যাকে বলে ঘুষ বানিজ্যে আয়ত্বে তাহেরপুর ভূমি অফিস। দেখা যায় পিয়ন রনজিদ ও পুরাতন দালাল শামীম ওপেন ঘুষ নিচ্ছে সালাম নামের এক ব্যাক্তির কাছ থেকে। এসময় ব্যাপক ভাবে অফিসে ফাইলপত্র উলোটপালট করতে দেখা যায় তাদের। তারা দুই জন এলাকায় ভূমি দুস্যু হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও ভূমি অফিসে কাজ করতে আসা লোকজন তহসিলদার ইমাম আলী ও পিয়ন রনজিদ এবং পুরাতন দালাল শামীমের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এলাকার লোকজন ভূমি অফিসে নাম জারি রেজিষ্ট্রি, খাজনা জমি খারিজ ও দাগ নাম্বার নিতে গেলে এদের পাল্লায় পড়ে চরম দূর্ভোগের শিকার হতে হচেছ। এবং এক শত টাকা না দিলে দাগ নাম্বার দেখায় না। খোজ নিয়ে যানা যায়, শুধু নাম জারি করতেই তারা নিয়ে থাকেন ৫ হাজার থেকে উর্ধ্বে ১০ হাজার এমনকি কাগজে একটু ভূলত্রুটি ধরতে পারলেই বেড়ে যায় এর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকার পরিমাণ। অসহায় ব্যক্তিদের দিনের পর দিন পড়ে থাকে কাজ। এমনকি একসময় টাকা দিতে না পারলে হারিয়ে যায় তাদের নথি। খুঁজেও পাওয়া যায় না তাদের কাগজপত্র। খাস জমি ও পুকুর, অর্পিত জমি সহ ভূমি সংক্রান্ত কাজে খুশি করতে না পারলে কোন কাজ হয় না। জমি ক্রয়, জমি খারিজ, পুকুর লিজসহ যাবতীয় কাজ টাকা ছাড়া হয় না। ভূমি অফিসের চাহিদা মত টাকা দিতে পারলে তার জমি আগে খারিজ হয় আর টাকা দিতে না পারলে তার জমি মাসের পর মাস ঘুরেও খারিজ হয় না। আর এসব কাজ করে থাকে ভূমি অফিসের তহসিলদার ইমাম আলী ও পিয়ন রনজিদ এবং পুরাতন দালাল শামীম। তাছাড়াও ভূমি অফিসে ধানী জমির খাজনা দিতে গেলে, ঐ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা বলেন তাদের কাছে খাজনা জমা নেওয়ার রশিদ নাই। কিন্তু দালাল চক্রের হাত দিয়ে টাকা দিতে চাইলেই ধানী জমির খাজনা নেওয়া হয় এবং রশিদ ও থাকে। এদিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বহাল তবিয়তে বছরের পর বছর পিয়ন রনজিদ এবং পুরাতন দালাল শামীম তাহেরপুর ভূমি অফিসে দাপটের সাথে ঘুষ বানিজ্য করছে। তারা ঘুষ বানিজ্যের লাখ লাখ মালিক বুনিয়ে গেছে। ফলে বাগমারায় সহকারি (ভুমি)কমিশনার থাকলেও তারা বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে ভুক্তভুগি সায়িদ, বেলাল,আজিজ,শমসের,মোহন,কাক্তিক,শ্যামল,অরুনসহ শত শত এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4212242আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 7এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET