২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

তানোরে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত ছিন্নমূল মানুষ

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : মে ১৭ ২০১৭, ০১:৫৬ | 604 বার পঠিত

নাজিম হাসান,রাজশাহী থেকে:
রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউপি স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ছিন্নমূল জনসাধারণের দৌড়গোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে নির্মাণ করা হয় কেন্দ্রটি। কিন্তু দূর্ভাগ্য হলেও সত্য কত বছর ধরে খোলা পড়েনি স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি বলাই মুশকিল। কর্তৃপক্ষের মারাত্মক অবহেলার জন্যে স্বাস্থ্য সেবা থেকে চরম ভাবে বঞ্চিত ওই এলাকার ছিন্নমূল মানুষ। যদি কেন্দ্রটি খোলায় না হয় তাহলে কেনই বা কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হলো এমন নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ওই এলাকাবাসীর মধ্যে। তারাও ধরে নিয়েছেন ভবনটি পরিত্যক্ত ছাড়া আর কিছুই হবেনা। এজন্যে ওই এলাকায় জনসাধারণ চরম ভাবে বঞ্চিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে। সম্প্রতি সেখানে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মুন্ডুমালা থেকে আমনূরা যাবার রাস্তার দক্ষিণ সাইডে অবস্থিত স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। মুন্ডুমালা পৌর সীমানা পার হয়ে তেলোপাড়া মোড়ের পশ্চিমে গনির মোড় নামক মূল রাস্তা সংলগ্ন জায়গায় ২০০১ সালে নির্মাণ করা হয় দ্বিতল বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। কেন্দ্রের মূল গেটে ছিল তালা দেয়া। ডেকেও কোন আওয়াজ পাওয়া যায়নি, যাবে কি করে? মূল গেটই তো তালাবদ্ধ। স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির পাকা দেয়াল ও ভেতরে আবর্জনা জঙ্গলে ভরপুর। মনে হয় কত বছর ধরে কোন মানুষের পড়েনি পায়ের ধূলো। এক প্রকার পরিত্যক্ত ভবন ছাড়া কিছুই বলা যাবেনা। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ওই এলাকার কয়েকজন গৃহিণীর সাথে হয় কথা। তারা জানান, আমরা নিজেরাও জানিনা কোনদিন খোলা পড়েছে কিনা স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। শুনেছি ডাক্তার আছে কিন্তু মুন্ডুমালা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বসেন। সামান্য অসুস্থ হলেই সেখানে দিতে হয় পাড়ি। সুন্দর একটি ভবনের এমন বেহাল অবস্থা হবে কখনোই কল্পনা করেননি ওই ইউপি’বাসী। ওই এলাকায় আদিবাসীদের বসবাস চোখে পড়ার মতো। যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভাল। একেবারেই মূল রাস্তা সংলগ্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। তাহলে কেন যায়না ডাক্তার? কেনই বা পড়েনা খোলা? এজন্যই তো ওই এলাকাবাসী বলেন, সবকিছুতেই নয়-ছয় ক্যামনে মানুষ সই। কথায় আছে সরকারী মাল দরিয়া মে ঢাল। বলায় কিছুই নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই এলাকাবাসী। এ নিয়ে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ইমারজেন্সি নম্বরে ফোন দেয়া হলে রিসিভ করে জানান, কর্মকর্তা নেই। রাজশাহী মিটিং-এ আছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শওকাত আলী বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4207153আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 13এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET