২৯শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • রাজনীতি
  • জয়ের ফেইস বুক স্টাটাসের উপর ভিত্তি করে শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার : বিএনপি

জয়ের ফেইস বুক স্টাটাসের উপর ভিত্তি করে শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার : বিএনপি

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : এপ্রিল ২৪ ২০১৬, ০২:২৬ | 655 বার পঠিত

unnamed_5 নয়া আলো ডেস্ক-

কোন সুনিদিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ফেইস বুক স্টাটাসের উপর ভিত্তি করে সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার বেলা সোয়া এগারটার দিকে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
কোন সুনিদিষ্ট অভিযোগের বৃত্তিতে নয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ফেইস বুক স্টাটাসের উপর ভিত্তি করে সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
শনিবার বেলা সোয়া এগারটার দিকে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ চক্রান্তের মামলায় শফিক রেহমানকে দুইদফায় দশ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
সজীব ওয়াজেদ জয় অপহরনের কোনো অভিযোগ মার্কিন আদালত গ্রহন করেনি দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু একটি ফেসবুক স্টাটাসের ওপর ভিত্তি করে শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে হয়রানিমুলক মামলা হয়েছে। আদালতে জমা দেয় মার্কিন সরকারের রিপোর্টে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ কিংবা দৈহিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ নেই। তা সত্ত্বেও শুধু তার ফেসবুকে দেয়া একটা পোষ্টের উপর ভিত্তি করে ঢাকায় পুলিশ হেড কোয়ার্টারের নির্দেশ এফআইআর হলো, গোপনে তদন্ত হলো, মামলা হলো এবং গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়া হলো।
তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিচার হওয়া মামলার অভিযোগপত্র, আদালতে জমা দেয়া সরকারের লিখিত রিপোর্ট, অভিযুক্ত কিংবা সাক্ষীদের কোন জবানবন্দি, মামলার রায় এমনকি ঢাকার রমনা থানায় দায়েরকরা এফআইআর কিংবা পল্টন থানায় দায়ের করা মামলার কোথাও সাংবাদিক শফিক রেহমান, কারাবন্দি সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কিংবা বিএনপির কোন নেতার নাম উল্লেখ নেই।
অথচ শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে, মাহমুদুর রহমানকে ঐ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো এবং একই কাল্পনিক অভিযোগে দেশে বিদেশে অবস্থান করা বিএনপির উর্ধ্বতন নেতা সম্পর্কে যথেচ্ছা অভিযোগ করে বক্তব্য দেয়া হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ক্ষমতাসীনদের দাবি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনায় সেখানে বসবাসরত একজন বিএনপি নেতার পুত্র অর্থের বিনিময়ে এফবিআই এজেন্টকে কাজে লাগিয়েছেল এবং সেই অপরাধে তাদের জেল হয়েছে। তারা আরো বলছেন, এই হত্যা পরিকল্পনায় সাংবাদিক শফিক রেহমান ও দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ছাড়াও ঢাকা, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের উর্ধ্বতন বিএনপি নেতা জড়িত।
ক্ষমতাসীনদের এই অভিযোগের জবাব দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমেরিকান নাগরিক রিজভী আহমেদ সিজারের বিরুদ্ধে আমেরিকান আদালতে যে মামলা হয়েছিলো, তাতে ২০১১ সালে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়ার লক্ষ্যে একজন এফবিআই এজেন্টকে তার এক বন্ধুর মাধ্যমে এক হাজার ডলার ঘুষ দিয়েছিলেন এবং কিছু নথি পেয়েছিলেন। তার অপরাধ ছিলো, সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেয়া। আর এফবিআই কর্মকর্তার অপরাধ ছিল ঘুষ নেয়া ও বিনা অনুমতিতে সরকারি দলিল কোন ব্যক্তি বিশেষকে হস্তান্তর করা।
“এই মামলা চলাকালে মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আদালতে যে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিলো তাতে ৯ মার্চ ২০১৩ তারিখে জয়ের ফেসবুক ষ্ট্যাটাসের প্রেক্ষিতে সিজারের ২টি উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়। একটি হলো সজীব ওয়াজেদ জয়ের জীবনযাপন ও দুর্নীতি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া এবং অন্যটি তাকে অপহরণ ও দৈহিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা”, জানান মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, ‘বিচার চলাকালে সজীব ওয়াজেদ জয়ও নিজেকে ভিকটিম দাবি করে মামলার আসামি সিজার তাকে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনা করেছিল বলে অভিযোগ করেন। কিন্তু জয়কে অপহরণ ও দৈহিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগের পক্ষে কোন প্রমাণযোগ্য ও যুক্তিগ্রাহ্য তথ্য উপাত্ত না পেয়ে বিচারক মামলায় অভিযুক্ত সিজারকে এই অভিযোগ থেকে অব্যহতি দেন এবং জয়কে ভিকটিম মানতে রাজী হননি।’
আদালতে পেশ করা মার্কিন সরকারের ডকুমেন্টে জয়ের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের ‘সন্দেহজনক লেনদেনে’র বিষয়ে সরকার কেন কিছু বলছে না-এই প্রশ্ন তুলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘শেয়ার মার্কেট ও ব্যাংকগুলোর যে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হয়েছে তারও কোন বিচার হ”েছ না। এই দুই বিষয়ের মধ্যে কোন যোগসূত্র আছে কি নাÑএটা জানার অধিকার অবশ্যই জনগণের আছে।’
জনগণ এ ব্যাপারে নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত চায় জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জনগণ জানতে চায় যে, সন্দেহ জনক এই লেনদেনের ৩০০ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার উৎস কি, এই বিপুল অর্থের প্রকৃত মালিক কে? কোন বিশেষ ব্যক্তি না বাংলাদেশের জনগণ? আমরা আশা করি, সরকার জনগণের এসব প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দেয়ার জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তিনি ‘মিথ্যা অভিযোগে’ আটক সাংবাদিক শফিক রেহমানের মুক্তি ও সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে অন্যায়ভাবে ফাঁসানোর চক্রান্ত বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান। একইসঙ্গে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে ‘কুৎসা রটনা’ থেকে বিরত থাকা এবং মামলা প্রত্যাহারের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রজসান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, আমির মাহমুদ খসরু চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান সালেহ প্রিন্স, সহ তথ্য ওপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, সহ দফতর বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি প্রমুখ।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4163431আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 9এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET