৫ই এপ্রিল, ২০২০ ইং, রবিবার, ২২শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১১ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • অপরাধ দূনীর্তি
  • চৌদ্দগ্রামে কপালের টিউমার কেটে পাওনা টাকা আত্মসাত ও প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা!

চৌদ্দগ্রামে কপালের টিউমার কেটে পাওনা টাকা আত্মসাত ও প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা!

মোঃ শাহীন আলম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : মার্চ ২৪ ২০২০, ১২:৫৪ | 644 বার পঠিত

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করার জের ধরে বাদি ও তাঁর পরিবারের নারী-পুরুষসহ পাঁচ সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের শাকতলা গ্রামের আবুল কাশেম গং তাঁর প্রতিবেশি আবদুল আজিজের ছেলে আবদুল মমিন ও সিরাজুল ইসলামের নিকট হাওলাতী তিন লাখ টাকা পাওনা ছিল।

দীর্ঘদিন ধরে হাওলাতী টাকা না দেয়ায় আবুল কাশেম টাকা ফেরত চেয়ে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার আদালতে আবদুল মমিন ও সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

এতে আবদুল মমিন ও সিরাজুল ইসলাম আবুল কাশেমের উপর ক্ষীপ্ত হয়ে উল্টো আবুল কাশেমের পরিবারের নিকট ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা পাবে এবং তার ভাই সিরাজুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগে চৌদ্দগ্রাম থানায় গত ২২ ফেব্রæয়ারি একটি মামলা দায়ের করে।

মামলায় আসামী করা হয়- আবুল কাশেম, স্ত্রী মাকসুদা বেগম, তার ছেলে জুবেল, ভাই জাকির হোসেন, ভাইয়ের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম আনুকে।

এদিকে মামলার পরে থানা পুলিশ আবুল কাশেমকে ২২ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার শেষে জেলহাজতে প্রেরণ করলে ২৪ ফেব্রুয়ারি তিনি জামিনে মুক্তি পান। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর আবুল কাশেম সাংবাদিকদের নিকট অভিযোগ করে বলেন, আবদুল মমিনের ভাই সিরাজুল ইসলামকে কোন মারধর করা হয়নি। সিরাজুল ইসলামের কপালে একটি টিউমার ছিল।

কৌশলে সেটা কেটে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের ডাক্তারদের যোগসাজশে তাদের বিরুদ্ধে একটি সার্টিফিকেট তৈরি করে।

যা পরবর্তীতে মামলার এজহারেও সংযুক্ত করে। এছাড়াও আবদুল মমিন তার মামলার এজহারে নিজেকে ধোড়করা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষ ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন আইনজীবি আশফিকুর রহমান আশিক।

আইনজীবি আশফিকুর রহমান আশিক বলেন, ‘আবদুল মমিন নামে আমি কাউকে চিনি না। ধোড়করা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিতে এ নামে কেউ নেই’।

জরুরী বিভাগে সিরাজুল ইসলামকে সেবাদানকারী স্বাস্থ্যসহকারী আবুল হাশেম সবুজ বলেন, ‘সিরাজুল ইসলামের মাথায় রক্তাক্ত জখম নিয়ে হাসপাতালে আসলে চিকিৎসাসেবা প্রদান করি। আঘাত সম্পর্কে রোগী থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধারালো বস্তু দিয়ে আঘাতের ফলে তার কপালে রক্তাক্ত ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। সে অনুযায়ী রেজিষ্টার্ডে উল্লেখ করেছি’।

সার্টিফিকেট প্রদানকারী ডাঃ গোলাম কিবরিয়া টিপু বলেন, ‘জরুরী বিভাগের রেজিষ্টার্ডে যা লেখা ছিল, সে অনুযায়ী সিরাজুল ইসলাম নামে এক রোগীর মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রদান করেছি’।

এ ব্যাপারে আবদুল মমিনের বক্তব্য জানতে চাইলে প্রতিবেদকের বক্তব্য শুনে ক্ষীপ্ত হয়ে নানান ধরনের হুমকি দিয়ে মোবাইলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

আবদুল মমিনের দায়েরকৃত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বলেন, ‘আঘাতের বিষয়ে ডাক্তার ভালো বলতে পারবে। মামলার সূত্র ধরে আবুল কাশেম নামের এক আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। তবে মামলাটি ভালো করে তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে’।

Please follow and like us:
error13
Tweet 20
fb-share-icon20

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 3590883আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 27এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৭৪৯৮২৩৭০৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET