২০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেই বাংলাদেশ-ভারতের আসামি হস্তান্তর

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : জুলাই ১৯ ২০১৬, ০১:৩২ | 615 বার পঠিত

23243_b2 বিশেষ প্রতিনিধি- কারো বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে বিচারের জন্য কোনো প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের মধ্যে আসামি বিনিময় (বহিঃসমর্পণ) করতে পারবে। ফৌজদারি মামলায় বিচারাধীন বা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিনিময়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বহিঃসমর্পণ চুক্তির একটি ধারা সংশোধন করে ওই সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ অনুমোদনের কথা জানিয়ে বলেন, ভারতের সঙ্গে বহিঃসমর্পণ (বন্দি বিনিময়) চুক্তিটি হয় ২০১৩ সালের ২৮শে জানুয়ারি। ওই বছরের ৭ই অক্টোবর এই চুক্তিতে অনুসমর্থন দেয় মন্ত্রিসভা। এরপর ২০১৩ সালের ২৩শে অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়। ভারত সরকার চুক্তির ১০ এর ৩ অনুচ্ছেদটি সংশোধনের প্রস্তাব করেছে। এ অনুচ্ছেদটি জটিল ছিল জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ভারত সরকার এটি সহজীকরণের প্রস্তাব করেছে। সংশোধন করার পর আমাদের দেশের কোনো জাজ (বিচারক), ম্যাজিস্ট্রেট, ট্রাইব্যুনাল বা এ ধরনের কোনো অথরিটি যদি অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে থাকে, সে যদি ভারতে থাকে, তবে আমরা তার জন্য বহিঃসমর্পণের সুপারিশ করতে পারবো। একইভাবে বাংলাদেশের কেউ ভারতে আছে, কিন্তু বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হয়ে গেছে, ট্রায়াল করার জন্য ভারত সরকার তাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করবে। অনুরূপভাবে ভারত সরকার যদি ওয়ারেন্ট থাকা কাউকে চায় আমরা তাকে হ্যান্ডওভার করে দেব। আগের জটিল পদ্ধতিটি সহজীকরণ করা হয়েছে। শফিউল আলম বলেন, আগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও এর সঙ্গে বিচারের সম্মুখীন করার জন্য এভিডেন্স (প্রমাণ) দিতে হতো। যে দেশ আসামি চাইতো তাদেরই এটা (বিচারের জন্য প্রমাণ) দিতে হতো, অনুরোধকারী  দেশের জন্য এ বাধ্যবাধকতা ছিল। তিনি বলেন, এখন যদি কেউ ভারতে থাকে তবে বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট (গ্রেপ্তারি পরোয়ানা) জারি হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার যদি বলে বিচারের জন্য আমরা তাকে চাই, তবে ভারত সরকার তাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করবে। একইভাবে ভারতে ওয়ারেন্ট জারি হওয়া কাউকে আমাদের কাছে চায় তবে আমরাও তাকে হস্তান্তর করবো। আর কোনো এভিডেন্স দেখাতে হবে না।
নার্স নিয়োগে মেধার ভিত্তিতে কোটার শূন্য পদ পূরণ: সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থী সংকটে কোটার শূন্য পদ মেধা তালিকার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে। এ সংক্রান্ত বিধানের সংশোধন প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ অনুমোদনের কথা জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, সিনিয়র স্টাফ নার্সের অনেক পদ শূন্য আছে। প্রায় ১০ হাজার পদের মধ্যে কোটার কারণে অনেক পদ শূন্য রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিল। কোটা শিথিল করার অনুমতি দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে শূন্য পদে মেধারভিত্তিতে শীর্ষে অবস্থানকারী তালিকা থেকে পূরণ করা হবে। তিনি বলেন, কোটায় সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের বিষয়টি শিথিল করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় না পাওয়া গেলে পদগুলো খালি থাকতো। এখন নিয়োগের ক্ষেত্রে সেটা মেধারভিত্তিতে পূরণ করা সম্ভব হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নাতি-পুতি কাউকে পাচ্ছি না। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ৯ হাজার ৬১৬টি পদ পূরণের নিয়োগের কোটার ক্ষেত্রে এ শিথিল আদেশ প্রযোজ্য হবে। নতুনভাবে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিধান শিথিলে আবারও মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিতে হবে। উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সেবা পরিদপ্তরের আওতায় দ্বিতীয় শ্রেণির ‘সিনিয়র স্টাফ নার্স’ পদে নিয়োগ সরকারি কর্মকমিশনে (পিএসসি) প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন: এদিকে মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন, ২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ আইনটি আগেই ছিল। ১৯৭৪ সালের দ্য জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউট অ্যাক্টের মাধ্যমে পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর আইনের অনেকগুলো সংশোধন আনা হয়। এর মধ্যে কিছু কিছু সংশোধন সামরিক শাসনামলে হয়েছে। এজন্য এটিকে নতুনভাবে সাজিয়ে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, আগের তুলনায় আইনটির পরিসর একটু বেড়েছে। বিজ্ঞানী, পরিচালক, প্রবিধান, বিধি, সম্পদের সংজ্ঞা সংযোজন করা হয়েছে। নতুন আইনে শাখা পর্যায়ে অফিস স্থাপনের বিধান রাখা হয়েছে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4148643আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 3এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET