২২শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • সকল সংবাদ
  • গুলশান হামলায় অংশ নেয়া রোহান আ.লীগ নেতার ছেলে- রোহানের লালমাটিয়ার বাড়িতে তালা!

গুলশান হামলায় অংশ নেয়া রোহান আ.লীগ নেতার ছেলে- রোহানের লালমাটিয়ার বাড়িতে তালা!

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : জুলাই ০৪ ২০১৬, ০৯:০৮ | 630 বার পঠিত

rohan_18219_1467528174 ডেস্ক রিপোর্ট গুলশানের ক্যাফেতে হামলাকারী যে পাঁচজনের ছবি সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ আইএসের বরাতে প্রকাশ করেছে, তার মধ্যে একজন আওয়ামী লীগের এক নেতার ছেলে। তার নাম রোহান ইমতিয়াজ। তিনি স্কলাসটিকা স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী।
ক্ষমতাসীন দলে আরেক নেতা রোহান ইমতিয়াজকে আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে বলে শনাক্ত করেছেন
সদ্য বিলুপ্ত অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুকুল চৌধুরী রবিবার অনলাইন পোর্টাল বিডিনিউজকে বলেন, ‘বিভিন্ন পত্রপত্রিকা এবং ফেসবুকে ছবি দেখে আমরা বুঝতে পেরেছি ওটা (রোহান) ইমতিয়াজ বাবুলের ছেলে।
ইমতিয়াজ বাবুল সদ্য বিলুপ্ত অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। রোহানকে বাবুলের ছেলে বলে শনাক্তকারী মুকুল ওই কমিটিতে সহ-সভাপতি ছিলেন।
গুলশানে হামলাকারীদের একজন রোহান ইমতিয়াজ। তার বাবা ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ইমতিয়াজ খান বাবুল।
এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নিতে তাদের লালমাটিয়ার বাসায় গিয়ে দেখা গেছে সেখানে তালাবদ্ধ। বাসায় কেউ নেই।
বাড়ির দারোয়ান শাহজাহান জানিয়েছেন, ইমতিয়াজ খান বাবুল রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে সপরিবারে গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন।
এছাড়াও, ফেসবুকে মা ও বাবার সঙ্গে রোহানের একাধিক ছবি এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, রোহানের বাবা এস এম ইমতিয়াজ খান বাবুল রাজধানীর ৩১ নং ওয়ার্ডে (মোহাম্মাদপুর) গত বছরের ২৮ এপ্রিল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে অংশ নিয়েছিলেন।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত এই কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রতীক ছিল রেডিও। তিনি ওই সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর নানকের ছবি এবং স্বাক্ষর সম্বলিত লিফলেটও ছাপিয়েছিলেন। সেখানে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় হিসেবে ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন তিনি।
এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল, সাইক্লিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও ফিবার রেফারি। রোহানের মা স্কলাসটিকা স্কুলের গণিতের শিক্ষিকা। মা-বাবার একমাত্র ছেলে সন্তান রোহানের দুই বোন আছে এবং তারা মোহাম্মদপুরে বসবাস করেন বলে জানা গেছে।
মাহবুব রাজীব নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে বাবা-মাসহ নিহত রোহানের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। সঙ্গে দেয়া হয়েছে সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ থেকে প্রকাশিত ছবি, যেখানে দুই ছবির মধ্যে মিল পাওয়া যায়। পুলিশের সরবরাহ করা ছবির সঙ্গেও ওই ছবির মিল পাওয়া যায়। তবে পুলিশ হত্যাকারীদের যে নাম প্রকাশ করেছে, সেখানে রোহানের নাম নেই।
জানা গেছে, রোহান গেল মার্চ থেকে নিখোঁজ ছিলেন। এক ফেসবুক পোস্টে সন্তানকে ফিরে আসার আকুতি জানিয়েছিলেন ইমতিয়াজ খান বাবুল। যদিও সেই আইডি এখন আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়াও ইমতিয়াজ নিখোঁজ জানিয়ে গত ৪ জানুয়ারি রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ঢাকার কূটনীতিকপাড়া গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে শুক্রবার রাতে একদল অস্ত্রধারী হামলা চালিয়ে দেশী-বিদেশীদের জিম্মি করে। পরে শনিবার সকালে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে কমান্ডো অভিযানের মধ্য দিয়ে এই জিম্মি সংকটের অবসান হয়। সেখান থেকে ১৩ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার এবং ২০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে ১৭ জনই বিদেশি বলে আইএসপিআর জানায়। রেস্তোরাঁয় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৬ হামলাকারী নিহত এবং একজনকে জীবিত গ্রেপ্তার করা হয়।
ওই হামলায় জড়িত দাবি করে সাইট ইন্টিলিজেন্স যে পাঁচজনের ছবি প্রকাশ করেছে সেগুলোর সত্যতা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা যায়নি। এই হামলায় জড়িতদের পাঁচজন চিহ্নিত জঙ্গি বলে পুলিশের আইজি এ কে এম শহীদুল হক ইতিমধ্যে বলেছেন। তাদের খোঁজা হচ্ছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি।
পুলিশ যে পাঁচজনের লাশের ছবি প্রকাশ করেছে, তার মধ্যে রোহান নেই বলে তার স্বজনরা জানিয়েছেন। এদিকে সাইট ইন্টেলিজেন্সে প্রকাশিত হামলাকারীদের নাম কিংবা পুলিশের দেওয়া নামে রোহান ইমতিয়াজ বলে কেউ নেই।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4151308আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 11এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET