২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১০ই সফর, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

কালাইয়ে দারিদ্রতাকে জয় করে সফল রোজিনা বেগম

তারেকুল ইসলাম রিপন, কালাই,জয়পুরহাট করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : জুন ০৯ ২০২০, ১৯:১৪ | 721 বার পঠিত

জয়পুরহাট জেলা শহর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে কালাই উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল আতাহার প্রামানিক পাড়ার এক ভাগ্যহত নারী। কঠোর পরিশ্রম আর সাধনায় মাত্র ৩ বছরেই তিনি দারিদ্রতাকে জয় করে হয়েছেন সফল নারী। সংসারে অভাব যখন কিছুতেই মেটানো যায় নি, তখন প্রতিবেশীর মাধ্যমে খবর মেলে বর্তমান সরকারের আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের। অসহায় রোজিনা বেগমসহ আতাহার প্রামানিক পাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতির ৬০ নারীর ভাগ্য বদলে দিয়েছে সরকারের ‘আমার বাড়ি, আমার খামার’ প্রকল্প।
জানা যায়, কালাই উপজেলার জিন্দারপুর ইউনিয়নের অধীন আতাহার প্রামানিক পাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্যা হিসাবে ২০১৭ সালে ভর্তি হন রোজিনা। কিছু দিন পরেই সঞ্চয়ের সঙ্গে প্রথম গ্রহণ করেন ১০ হাজার টাকা ঋণ। যা বর্তমানে রোজিনা বেগমের ৭ লাখ টাকার সম্পদে পরিণত হয়েছে। এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের সফল নারী হিসাবে।
পিতা মাতার অভাবের সংসারে ৮ম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় রোজিনা বেগমের বিয়ে হয় প্রতিবেশী আত্তাব উদ্দিনের সঙ্গে। স্বামীর সংসারে বাড়ি ভিটা আর সামান্য জমি ছাড়া কিছুই ছিল না। অদম্য সাহসী রোজিনা নিয়তির কাছে হেরে যেতে রাজি নন। অভাবকে মাথায় নিয়ে অন্যের নার্সারী থেকে চারা কিনে ভ্যানে করে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিক্রি করতেন। এতে যা লাভ হতো তাই দিয়ে কোনমতে খেয়ে না খেয়ে চলতো সংসার। প্রথম ঋণের ১০ হাজার টাকায় ছোট আকারে নার্সারী গড়ে তোলেন। এখান থেকে লাভ হওয়া ১০ হাজার টাকায় আরও ৩০ শতাংশ জমি বন্ধক নিয়ে গড়ে তোলেন স্বপ্নের নার্সারী।
নার্সারীতে বর্তমানে মাল্টা বারি-১ জাত, আম, জাম, লিচু, থাই পেয়ারা, চালতা, কাঁঠাল, জাম্বুরা, নারিকেল, বেদেনাসহ বিভিন্ন ফুল ও ফুলের চারা রয়েছে। চারা বিক্রিতে সহযোগিতা করে থাকেন স্বামী আত্তাব উদ্দিন। এর মধ্যে ঋণের পরিমাণও বাড়তে থাকে। বর্তমানে সঞ্চয় রয়েছে ১৬ হাজার। ঋণ চলছে দ্বিতীয় দফায় ২০ হাজার টাকা। নার্সারীর পাশাপাশি বাড়িতে রয়েছে গরু, ছাগল ও হাসঁ-মুরগী । সংসারের আয় দিয়ে এক ছেলে এক মেয়ের লেখাপড়ার পাশাপাশি ৩০ শতাংশ জমি পত্তন নিয়ে চাষ করছেন ধান ও শাক সবজি। ঘরে নিয়েছেন বিদ্যুৎ সংযোগ, ঝলমল করছে আলো। কিনেছেন আসবাবপত্রও।  অভাবের সংসারে স্ত্রীর কাজে সহযোগিতা করে উন্নতি দেখে খুশি বলে জানান স্বামী আত্তাব উদ্দিন।
এ রকম আমার বাড়ি, আমার খামার প্রকল্পের সদস্য হয়ে আতাহার প্রামানিক পাড়া এলাকার নিঃস্ব অসহায় থেকে স্বাবলম্বী হয়েছেন রোকেয়া বেগম, মাছুমা বেগম, লতা বিবি, স্বপ্না বেগমসহ সমিতির ৬০ সদস্য।
কাজের মাধ্যমে সংসারে সফলতা অর্জন করায় সকলের চোখে মুখে হাসি। ৬০ জন সদস্য নিয়ে গঠন করা হয় দামথর গ্রাম উন্নয়ন সমিতি। একটি বাড়ি, আমার খামার প্রকল্পের সদস্যদের উন্নতি দেখে সদস্য ভুক্তির জন্য অনেকে আবেদন করলেও একটি গ্রামে গঠিত একটি সমিতিতে ৬০ সদস্যের বেশি সদস্য থাকার নিয়ম নেই।
প্রকল্পের কালাই উপজেলা সমন্বয়কারী মিনহাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4104051আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 1এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET