৪ঠা আগস্ট, ২০২০ ইং, মঙ্গলবার, ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • কামারখন্দে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন হয়নি ব্রীজ, জনদুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ

কামারখন্দে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন হয়নি ব্রীজ, জনদুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ

ওমর ফারুক ভূঁইয়া, কামারখন্দ,সিরাজগঞ্জ করেসপন্ডেন্ট ।

আপডেট টাইম : জুন ১১ ২০২০, ১৮:৩৯ | 713 বার পঠিত

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় পাইকোশা বাজারে, মেয়াদোত্তীর্ণ ব্রীজ ভেঙ্গে নতুন ব্রীজ নির্মান করার মেয়াদ শেষ হলেও শেষ হয়নি নির্মান কাজ। এতে চরম দূর্ভোগে পরেছে এলাকাবাসী। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে ব্রীজ নির্মানের কারণে আশপাশের কয়েকটি দোকান ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে, দেওয়া হয়নি দোকান মালিকদের কোন ক্ষতিপূরন।
স্থানীয় এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে জানান, ব্রীজটি দিয়ে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত করে কিন্তু ব্রীজটি নির্মানে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে আমাদের চলাচলের অসুবিধা হচ্ছে।
উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) সুত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর-কামারখন্দ আসনের সাংসদ অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্নার প্রচেষ্টায় গত বছর সিরাজগঞ্জ জেলার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে ব্রীজটি বরাদ্দ হয়। রফিকুল ইসলাম খান ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজটি পান। এ পর্যন্ত সেতুটির একটি অংশের কাজ হয়েছে। এটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ১৬ লাখ ১৯ হাজার ৫৭০ টাকা।
৩০ মিটার দৈর্ঘ্যরে ব্রীজটি ১লা মে ২০১৯ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২০ সালের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়াতে বাঁশ দিয়ে একটি সাঁকো তৈরি করে জনসাধারণের চলাচলের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস.এম শহিদুল্লাহ সবুজ।
পাইকশা বাজারের ব্যবসায়ী জাহিদ হাসান বলেন, ব্রীজটি নির্মাণের জন্য আমার পিতার নিজস্ব সম্পত্তির উপর দোকান ঘর সহ ১০-১২টি দোকান ঘর ভেঙ্গে দিয়েছে। কয়েক মাস হলো ব্যবসা বন্ধ, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এ ব্যাপারে আমাদের কোন সহায়তা করেননি।
সিএনজি চালক মনিরুল ইসলাম মনি জানান, যাত্রী নিয়ে চলাচলের এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন যাবত ব্রীজ নির্মানের জন্য বন্ধ রয়েছে, এতে কয়েক কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে যেতে হয়।
রাস্তার ভ্যান চালক ও স্থানীয় এলাকাবাসী শুকুর আলী জানান, ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে এলাকার সর্বস্থরের মানুষের যাতায়াতের সমস্যা হচ্ছে। অনেক সময় ঝুকি নিয়ে পানির মধ্যেই পারাপার হতে হচ্ছে।
দোকান ব্যবসায়ী সেরাজুল ইসলাম জানান, এখন ব্রীজের কাজ করছে না, আবার আমাদের দোকানগুলো সেরে দিচ্ছে না। এমতবস্থায় আমরা বিপদের মধ্যে রয়েছি। আট মাস হলো আমাদের দোকান ভেঙ্গেছে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাথে একাধীকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী এস,এম সানজীদ আহমেদ বলেন, জায়গা সমস্যার কারণে কিছুদিন কাজ বন্ধ ছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্রীজের কাজ শেষ হয়নি। কাজের সময় বাড়ানোর জন্য এলজিইডি অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।
কামারখন্দ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস.এম.শহিদুল্লাহ সবুজ বলেন, ব্রীজ নির্মানের কারণে দোকান ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের চলাচলের সমস্যার কথা শুনেছি। বর্তমানে জনসাধারণের চলাচলের জন্য পাশেই একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দিয়েছি।
Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4001064আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 17এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET