২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা সফর, ১৪৪২ হিজরি

[gtranslate]

শিরোনামঃ-

আজ বিশ্ব ভালবাসা দিবস

admin6

আপডেট টাইম : ফেব্রুয়ারি ১৪ ২০২০, ০০:০২ | 687 বার পঠিত

মেহেদী হাসানঃ- আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। প্রেম-ভালোবাসায় মাতোয়ারা হওয়ার দিন আজ। প্রকৃতরি পালাবদলে শীতের খোলস পাল্টে প্রকৃতি তার রূপ বদলাতে শুরু করেছে।  আজ বসন্তের প্রথম দিন। সেই ফাগুনের মাতাল হাওয়ায় আজ উদ্দাম ভেসে যাবে প্রেম পিয়াসী তরুণ-তরুণী, ভালোবাসার রঙে রঙিন হবে হৃদয়। মনের যতো বাসনা, যতো অব্যক্ত কথা ডালপালা মেলে ছড়িয়ে পড়বে বসন্তের মধুর হাওয়ায়। কপোত-কপোতী পরস্পরকে নিবেদন করবে মনরে যতো কথা, জানাবে ভালোবাসা। আজ চুপকথা শুনবার ও শোনানোর দিন। আজ কারো কারো চুপকথাগুলো হয়ে যাবে রূপকথা। সারাজীবন মনে রাখার মতো গল্প।

 

এ দিবসের শুরু কীভাবে এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে।প্রাচীন রোমে ১৪ ফেব্রুয়ারি ছিল রোমান দেব-দেবীর রানী জুনোর সম্মানে ছুটির দিন। জুনোকে নারী ও প্রমেরে দেবী বলে লোকে বশ্বিাস করতো। করো মতে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস হওয়ার কারণ ছিল এটিই। আবার কেউ বললেন, রোমরে সম্রাট ক্লডিয়াস ২০০ খ্রিস্টাব্দে দেশে বিয়ে প্রথা  নিষিদ্ধ করেন। তিনি ঘোষণা দেন, কোনও যুবক বিয়ে করতে পারবে না। যুবকদরে জন্য শুধুই যুদ্ধ। তার মততে, যুবকরা যদি বিয়ে করে তবে যুদ্ধ করবে কারা? সম্রাট ক্লডিয়াসরে এ অন্যায় ঘোষণার প্রতিবাদ করনে এক যুবক। যার নাম ভ্যালন্টোইন। অসীম সাহসী এই যুবকরে প্রতিবাদে খেপে উঠছেলিনে সম্রাট। রাজদ্রোহরে শাস্তি হসিবেে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় তাককে। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোরবেলা মাথা কেটে ফেলা হয় তার। ভালোবাসার জন্য ভ্যালন্টোইনরে আত্মত্যাগকে স্মরণ করতে তখন থেকেই এ দিনটিকে পালন করা হয় ভ্যালন্টোইন দিবস হিসেবে।

 

তবে এটিও র্সবজন স্বীকৃত নয়। এখানওে দ্বিমত আছে। কারও কারও মতে, প্রাচীন রোমে ভ্যালেন্টাইন নামে একজন চিকিৎসক ছিলেন। তিনি রোগীদরে প্রতি ছিলেন ভীষণ সদয়। অসুস্থ মানুষের ওষুধ খেতে কষ্ট হয় বলে তিনি তেঁতো ওষুধ ওয়াইন, দুধ বা মধুতে মিশিয়ে খেতে দিতেন। সেই ডাক্তার খ্রিস্টর্ধম গ্রহণ করনে। প্রাচীন রোমে খ্রিস্টর্ধম তখন মোটেও জনপ্রিয় ছিল না। এই র্ধমে বিশ্বাসীদরে শাস্তি দেয়া হতো। একদিন রোমরে এক কারাপ্রধান তার অন্ধ মেয়েকে ভ্যালন্টোইনরে কাছে নিয়ে এসছেলিনে চিকিৎসার জন্য। ভ্যালেন্টাইন কথা দিয়েছিলেন তিনি তার সাধ্যমতো চিকিৎসা করবেন। মেয়েটির চিকিৎসা চলছিলো এমন সময় হঠাৎ একদনি রোমান সৈন্যরা এসে ভ্যালেন্টাইনকে বেঁধে নিয়ে যায়। ভ্যালেন্টাইন বুঝতে পেরেছিলেন, খ্রিস্টান হওয়ার অপরাধে তাকে মেরে ফেলা হবে।  ২৬৯ খ্রিস্টাব্দে বা কারও মতে ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি রোম সম্রাট ক্লডিয়াসের আদেশে ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। তার আগে ভ্যালেন্টাইন অন্ধ মেয়েটিকে বিদায় জানিয়ে একটি চরিকুট লিখে রেখে গিয়েছিলেন। তাকে হত্যার পর কারাপ্রধান চিরকুটটি দিয়েছিলেন মেয়েটিকে। তাতে লেখা ছিল, ‘ইতি তোমার ভ্যালেন্টাইন’। মেয়েটি চিরকুটের ভেতরে বসন্তের হলুদ ফুলের আর্শ্চয সুন্দর রং দেখেত পেয়েছিল কারণ, ইতিমধ্যে ভ্যালেন্টাইনের চিকিৎসায় মেয়েটির অন্ধ দু’চোখে দৃষ্টি ফিরে এসেছিল। ভালবাসার এসব র্কীতির জন্য ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে পোপ জেলাসিয়ুস ফেব্রুয়ারি ১৪ তারিখকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই থেকে এই দিনটিকে মানুষেরা ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে পালন করে আসছে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4094221আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 8এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET