৩রা জুলাই, ২০২০ ইং, শুক্রবার, ১৯শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ই জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী

শিরোনামঃ-

অন্ধ ভালোবাসা ও ভন্ড সন্ন্যাসী: আদিল মাহমুদ

নয়া আলো অনলাইন ডেস্ক।

আপডেট টাইম : জুন ২৪ ২০২০, ০১:৪৮ | 640 বার পঠিত

“অন্ধ ভালোবাসা ও ভন্ড সন্ন্যাসী”

ভালোবাসা কখনো কাঁদায় আবার কখনো হাসায়। তবে ভালোবাসা যে আসলে কি তা মানবকুলের পক্ষে কোন ভাবেই বুঝা সম্ভব নয়। কারো কাছে এর মূল্য অনেক, আবার কারো কাছে নগণ্য। কেউ ভালবাসাকে সারা জীবনেও ভুলতে পারে না আবার, কেও একদিনেই ভুলে যায়। তাই ভালবাসার প্রকৃতি বা ধরন বুঝা খুবই কঠিন ব্যাপার।

‘তাপস’ কায়স্থ পরিবারের সন্তান, সম্ভ্রান্ত ফ্যামিলির ছেলে। অপর দিকে ‘জয়া’ একই গোত্রীয় তবে, অর্থ বিত্তে একটু ওপরে। বাল্যকাল থেকেই দু’জনের পরিচয়। কারণ, দু’জনই আপন পিসতুতো ভাই-বোন। তাদের দুই সংসারের মধ্যে আন্তরিকতার কোন অভাবই নাই। ফলে, সুযোগটা তারা খুবই বেশি পেয়েছিলো। তাপস ও জয়ার মধ্যে ভালবাসা যখন খুবই জোড়ালো তখনই সামনে আসে বিপদ।

জয়ার বয়স বিশ হয়েছে, তাই জয়ার বাবা/মা জয়ার বিয়ের জন্য পাগল হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, তাপসের বয়স বাইশ বৎসর। তাছাড়া, ওদের সংসারে যে মিল এবং পারিবারিক যে বন্ধন, এ অবস্থায় কোন ফ্যামিলিই তাপস ও জয়ার সম্পর্ক মেনে নেবে না। কারণ, সবাই জানে তারা ভাই-বোন। কিন্তু, ভিতরে ভিতরে যে তাপস ও জয়ার প্রেম গভীর আকার ধারণ করেছে তা কেও বুঝতেও পারেনি!

তাছাড়া তাপস ও জয়া নিজেরাও জানে দুই সংসারের কেও-ই এটা মেনে নিবে না। ফলে, তাপস ও জয়া অনেক বুদ্ধি পরামর্শ করতে লাগলো। কোন ভাবেই কোন সমাধানে পৌঁছতে পারলো না। পালিয়ে যে বিয়ে করবে সেই অবস্থাও নেই কারণ, এতে দুই ফ্যামিলির বাবা/মা কেও না কেও আত্মহত্যা করবে তা উভয়েই জানে। তারপরও সাহস করে একবার জয়া তাপসকে বলেছিলো, চলো পালিয়ে যাই। কিন্তু তাপস জয়াকে বুঝিয়ে বলেছে এতে বিপদ হবে, তাছাড়া তোমার বিয়েতো এখনো ঠিক হয় নি, আমাকে একটু ভাবতে দাও। এভাবে দিন-রাত গড়াতে লাগলো। তাপসও এ নিয়ে তার বন্ধু তরিক ও রফিকের সাথে পরামর্শ করতে লাগলো।

আসল কথা হচ্ছে ওদের দুই সংসারের যে মিল বা মর্যাদা তাতে পালিয়ে বা জোড় করে কোন কিছুই করা সম্ভব ছিলো না। পালিয়ে কিছু করতে গেলে হিতে বিপরীত হবে। জয়ার মা/বাবা তাপসকে নিজের ছেলের মতোই মনে করে। বিয়ের চিন্তাও তারা করে না। পথ শুধু একটাই পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করা। কিন্তু, তাপস জোড় খাটানো বা পালিয়ে বিয়ে করার চিন্তাও করলো না। এভাবে আরো কিছু দিন গেলো। তাপসও তার প্রিয় বন্ধু তরিক এবং রফিকের সাথে আলোচনা অব্যাহত রাখলো।

হঠাৎ একদিন তাপস জানালো জয়ার বাবা জয়ার বিয়ে ঠিক করেছে, ছেলে উচ্চ শিক্ষিত, দেখতে শুনতে সুন্দর। নিয়ম মাফিক ছেলে দেখার জন্য বাবা/মার সাথে তাপসকেও যেতে হলো। ছেলে দেখে খারাপ বলার সুযোগই নাই। তাই, নিরুপায় হয়ে তাপসও মতামত দিলো, ছেলে ভালো। বাস, সব মিলিয়ে বিয়ের দিনক্ষন ঠিক হয়ে গেলো। তাপস ও জয়ার তো কান্না ছাড়া কোন পথই রইলো না। উভয়েই গোপনে কান্নাকাটি শুরু করলো। জয়াতো তাপসকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়েই করবে না, প্রয়োজনে মরবে! তখন, তাপস জয়াকে শান্তনা দিলো, বিয়ে ঠিক হলেই তো আর বিয়ে হচ্ছে না, বিয়ে ভাঙ্গাতো যায়! ফলে, তাপস পরিকল্পনা আটতে লাগলো কিভাবে আপাতত বিয়েটা ভাঙ্গা যায়। এই ব্যাপারে তাপসকে সাহায্য করতে বিশ্বস্থ বন্ধু তরিক ও রফিক এগিয়ে এলো। তারা বিভিন্ন ভাবে বিয়ে ভাঙ্গার ব্যাপারে গোপনে পরামর্শ করতে লাগলো। কিন্তু পরামর্শ করলেই তো আর হবে না, বিয়ে ভাঙ্গাই হচ্ছে আসল কথা। বলা দরকার তাপস ও জয়া দু’জনেই দুজনকে পাগলের মতো ভালবাসতো। কিন্তু তাদের হাত-পা বাঁধা ছিলো। তা না হলে পালিয়ে বিয়ে করাতো সাময়িক ব্যাপার মাত্র। এরই মধ্যে ঘটনা ঘটলো আরেকটা। বন্ধু রফিক ও তরিক নিয়ে আসলো এক হিন্দু সন্ন্যাসীকে। সন্ন্যাসীর কাজ হলো ১০০% গ্যারান্টিতে বিয়ে ভাঙ্গানো। তাপস সন্নাসীর সাথে কথা বলে মহাখুশি। সে আবার এই সব খুব বিশ্বাস করতো। তবে শর্ত আছে, যা পরে বলছি। এদিকে আজ দশ আগষ্ট, জয়ার বিয়ের দিন ধার্য্য হয়েছে বিশ আগষ্ট। তাই কিছু দিন যেহেতু হাতে সময় আছে ভেবে, তাপস জয়াকে বুঝালো চুপচাপ থাকো। পথ পেয়েছি বিয়ে হবে না, ভেঙ্গে যাবে। তারপর দেখা যাবে কি করা যায়। জয়াও তাপসের কথা বিশ্বাস করলো এবং অপেক্ষা করতে থাকলো। এদিকে সন্ন্যাসীর কাজ শুরু হলো। সন্ন্যাসী বললো, প্রথমে চোখ বন্ধ করে তাকে এক হাজার এক টাকা দিতে হবে, তারপর যে কোন একজন হিন্দু বিধবা মহিলাকে একটি কাপড় কিনে দিতে হবে। অত:পর তিনটি তাবিজ ও একটি পাওয়ারুটি পড়া দিলো। নিয়ম মাফিক সন্ন্যাসীর কথা মতো এগুলো পালন করলে বিয়ে অবশ্যই ভাঙ্গবে। তাপস খুব বিশ্বাস করলো এবং ভাবলো যে, সে তার জয়াকে পাবেই।

তাজিবের নিয়ম হলো, প্রথম তাজিবটি দিনে দুপুরে বাজারের চৌরাস্তার মধ্যে মাটির নীচে গাড়াতে হবে। দ্বিতীয় তাবিজ এর নিয়ম হলো নিশীথ রাতে ব্যাঙের মুখে ভরে তাবিজটি এক নিশ্বাসে যে কোন কবরে গাড়াতে হবে তবে, একা একা করতে হবে, সাথে অন্য কেহ গেলে তাবিজের গুন নষ্ট হয়ে যাবে। তৃতীয় তাবিজের নিয়ম হলো কোন কাঠ ঠোকরার বাসা বা গর্ত খোঁজে বের করে রাত্রি বেলায় তা ঐ কাঠ ঠোকরার বাসায় রেখে আসতে হবে। আর যে পাওয়ারুটি পড়া দিয়েছে তা রাত্রি বেলায় যে কোন কালো রংয়ের স্ত্রী কুকুরকে খাওয়াতে হবে। যদি এগুলো করা সম্ভব হয় তবে, বিয়ে অবশ্যই ভাঙ্গবে।

শর্ত শুনে তাপসের বন্ধু রফিক ও তরিক অবাক হলেও, তাপস এক বাক্যে রাজি হয়ে গেলো। কারণ, তাপসের কাছে এই সব কষ্ট, জয়ার থেকে অনেক ছোট। তাই, তাপস শর্তে রাজি হয়ে গেলো এবং সাথে সাথেই সন্নাসীকে এক হাজার এক টাকা দিয়ে দিলো। পরের দিন দুপুর বেলা তাবিজ নেয়ার কথা। সময় মতো তাপস, রফিক ও তরিক সন্নাসীর কাছে আসলো এবং তাবিজ ও কুকুরের খাওয়া নিলো, শুরু হলো কাজ। বলতে কষ্ট হয়, এই সব শর্ত মানতে তাপস ও তাপসের বন্ধুদের যে কি কষ্ট ও লজ্জা পেতে হয়ে ছিলো, তা না-ই বললাম! এই সব কিছু কিন্তু জয়াও জানতো, জয়াও তাপসের মতো এই সব খুব বিশ্বাস করতো। প্রথম তাবিজের কাজ শুরু হলো, দিনের বেলা বাজারের চৌরাস্তায় তাবিজ গাড়ানো মুখের কথা নয়! শত শত মানুষ চেয়ে থাকে। তারপরেও তিন বন্ধু লোক লজ্জার ভয় এড়িয়ে তাপসের মনের দিকে চেয়ে কাজ করতে আরম্ভ করলো। কাজ করার খন্তা নিয়ে তিনজন চৌরাস্তায় গেলো। চারিদিকে তাকিয়ে তাপস খন্তা দিয়ে চৌরাস্তায় ছোট গর্ত খুড়তে লাগলো, তরিক ও রফিক পাহাড়ায় রইলো। অনেকে কৌতুহল বশত: আসতে চাইলো কিন্তু তরিক ও রফিক নিষেধ করাতে আর এগুলো না। অনেক চেষ্টার পর তাবিজ খুড়লো। তবে, এটাকে কেন্দ্র করে দুই দিন পার হয়ে গেলো। তারপর, হিন্দু বিধবাকে কাপড় দিতে তেমন কষ্ট হলো না, এটা সহজ শর্ত ছিলো।

দ্বিতীয় তাবিজটা গাড়াতে হবে রাত্রি বেলায়, ব্যাঙের মুখে করে কবরাস্থানে, তাও আবার একা। বাজারের আধা কিঃ মিঃ এর মধ্যেই ছিল কবর। সবাই ভয় পেতে লাগলো, তাপসকে একা গিয়েই এ কাজটা করতে হবে। একদিন চাঁদের আলোতে কাজ শুরু হলো। ব্যাঙ ধরতে দুই দিন চলে গেলো। অবশেষে, একটি পুকুরের ধারে ব্যাঙ পাওয়া গেলো। ব্যাঙ পেয়ে তাপসের খুশি আর ধরে না! এবার কবরস্থানের কাজ। ঐ দিনই তাপস ব্যাঙের মুখে তাবিজ ভরে সাহস করে কবর স্থানের দিকে রওয়ানা হলো। গাঁ তার ছম ছম করছিলো, কিন্তু কিছুই করার নেই। জয়ার বিয়ে ভাঙ্গতে সব কষ্ট যন্দ্রনা যে তাকে সহ্য করতে হবে! রফিক ও তরিক বাজারেই অবস্থান করলো। রফিক ও তরিকেরও কিছু করার ছিলো না কারণ, তাপসের পাগলের মতো চেহারা দেখলে যে কোন বন্ধুই ঠিক থাকতে পারবে না।

তাপস খুব সাবধানতার সাথে কবরে গিয়ে কবর খুঁড়ে ব্যাঙটাকে তাবিজ সহ মাটি চাপা দিয়ে বাজারে এসে হাজির হলো। তাপসকে দেখে সবাই খুশি। তাপসও মহা খুশি যেন বিশাল একটা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এসেছে। সবাই মিলে বাজারে চা নাস্তা খেলো এবং পরবর্তী কাজের চিন্তা করতে লাগলো। বাকী কাজ রইলো দু’টা, একটি কালো স্ত্রী কুকুর ও অপরটি কাঠ ঠোকরার বাসা!!

এবার শুরু হলো কালো স্ত্রী কুকুর খোঁজার পালা। সবাই মিলে কালো কুকুর খোঁজা শুরু হলো। দুই/তিন দিন চেষ্টা করে যাও কালো কুকুর পাওয়া গেলো তাও দেখা গেলো পুরুষ কুকুর! পুরুষ কুকুর তো হবে না! আবার শুরু হলো পাগলের মতো কালো স্ত্রী কুকুর খোঁজা, এ বাজার ছেড়ে এবার অন্য বাজারে খোঁজা শুরু হলো। অবশেষে, চার/পাঁচ দিন পর কালো স্ত্রী কুকুর পাওয়া গেলো এবং তাকে পড়া পাওয়ারুটি খাওয়ানো হলো। এসব করতে করতে বিয়ের দিন কিন্তু ঘনিয়ে আসতে লাগলো। জয়াও চিন্তায় পড়ে গেলো, তাপসের কোন চিন্তাই নাই। কারন এই ব্যাপারে সে এতো বিশ্বাসী যে, বিয়ে ভাঙ্গবেই। বাকী রইলো কাঠ ঠোকরার কাজ। এবার শুরু হলো কাঠ ঠোকরার বাসা খোঁজা! কাঠ ঠোকরার বাসা যে ভাবে তিন বন্ধু খোঁজা শুরু করলো, তা যদি ভালো ভাবে কেহ দেখতো তবে বলতো এই তিন জন নির্ঘাত পাগল, কিন্তু কিছুই করার ছিলো না। কাঠঠোকরার বাসা খোঁজে বের করতেই হবে! শুরু হলো রাত দিন চব্বিশ ঘন্টা, কখনো দিনে কখনো রাতে, আবার সবার হাতে টর্চ লাইট। খোঁজতে খোঁজতে বিয়ের দিন চলে আসলো। তাপসও প্রায় পাগলের মতো হয়ে গেলো। তাপসের অবস্থা দেখে বন্ধুরা অবাক হয়ে গেলো! তারা ভাবলো, এই সময় যদি তাপসকে ফেলে তারা চলে যায়, অবশ্যই তাপস মারা যাবে! তাই, তারাও কষ্ট করতে লাগলো। এরই মাঝে সন্ন্যাসীর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছিলো। তিনিও খুব আস্বস্ত করেছেন। অবশেষে, একদিন সন্ধ্যা বেলায় একটি নারিকেল গাছে কাঠঠোকরার বাসা পাওয়া গেলো। অনেক কষ্টে তাপস হাত, পা ও গাঁ দিয়ে নারিকেল গাছ বেঁয়ে কাঠঠোকরার বাসায় তাবিজ রেখে আসলো। তাপসের খুশি আর ধরে না, যদিও আগামীকল্য জয়ার বিয়ে। তাপসের বিশ্বাস হলো সন্ন্যাসী বলেছে, যদি এগুলি ঠিক মতো করেন তবে, বিয়ের এক মিনিট আগে হলেও বিয়ে ভাঙ্গবে। তাই তপসের আনন্দের শেষ নাই। সব কাজ সম্পন্ন করে জয়াকে জানানো হলো, জয়াও খুশী, সন্ন্যাসীর সাথে আলোচনাও হলো। সন্ন্যাসী আরো এক হাজার এক টাকা দাবী করলো, কাজ হওয়ার পরে, তাপস তাতেই রাজি হয়ে গেলো।

আজ জয়ার বিয়ে, জয়াকে পার্লার থেকে ভালভাবে সাজিয়ে আনা হলো। যদিও জয়া জানে বিয়ে ভেঙ্গে যাবে তারপরও একটা ভয় তার মধ্যে কাজ করছিলো। আগেই বলেছি, তাপস ও জয়া ঘনিষ্ট আত্মীয়। তাই বিয়ের কাজে তাপস ও তার বন্ধুদেরকে সহায়তা করতে হচ্ছিল। এদিকে বিয়ের লগ্ন প্রায় ঘনিয়ে আসছে অথচ বিয়ে ভাঙ্গছে না। অবাক হয়ে তাপস সন্ন্যাসীর সাথে যোগাযোগ করলো। সন্ন্যাসী বললো চিন্তার কোন কারণ নাই, এক মিনিট আগে হলেও বিয়ে ভাঙ্গবে। সুতারাং, অপেক্ষা করাই যায়! বর এখনো আসেনি, কিন্তু দেখা যায় যে, বর যে সময়ের মধ্যে আসার কথা ছিলো, তা হলো না। তাপসতো মহা খুশি, হয়তো তাবিজে কাজ হয়ে গেছে। কিছুটা সাহস পেলো তাপস। তাপস একবার জয়ার কাছে যায়, আবার বরের রাস্তার দিকে যায়। আবার সন্নাসীর সাথে যোগাযোগ হলো, সন্ন্যাসী বললো চিন্তার কিছুই নাই, বিয়ে হবে না। এমন করতে করতে হঠাৎ দেখা গেলো বরের গাড়ী এসে হাজির। তাপস মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লো, তারপরও হাল ছাড়ে নি তাপস, কারণ বিয়েতা এখনো হয় নি, চক্কর কাটতে হবে যে?

সবশেষে, দেখা গেলো সন্নাসীর সব ভন্ডামীকে পেছনে ফেলে তাপস ও জয়ার চোঁখের সামনে বিকাশের সাথে জয়ার বিয়ে হয়ে গেলো। চক্কর কাটাও সম্পন্ন হলো। তাপসের কান্না, আর তাপস ধরে রাখতে পারলো না। অঝোরে কাঁদতে লাগলো, সবাই ভাবলো বোনের বিয়ে তাই তাপস এভাবে কান্না করছে। পরবর্তীতে বন্ধুরা তাপসকে কোন ভাবে বাঁচিয়ে রাখলো। কিন্তু ঐ ভন্ড সন্ন্যাসীকে আর খোঁজে পাওয়া গেলো না!!

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 3929969আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 11এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET